রুট গাইড · ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গ

ঢাকা টু লালমনিরহাট বাস ভাড়া: সময়সূচী ও পূর্ণাঙ্গ ভাড়ার তালিকা

এসি ও নন-এসি বাসের সঠিক ভাড়া, সময়সূচী, কাউন্টার তথ্য এবং লালমনিরহাটের ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান — সব একসাথে।

হালনাগাদ: ২০২৬ পড়তে সময় লাগবে: প্রায় ১২ মিনিট লেখক: চলো গাড়ি কন্টেন্ট টিম

ঢাকা থেকে লালমনিরহাট দূরত্ব ও যাত্রার সময়

ঢাকা টু লালমনিরহাট বাস ভাড়া নির্ভর করে মূলত দূরত্ব ও বাসের মানের ওপর। সড়কপথে এই দূরত্ব প্রায় ৩৩১ কিলোমিটার, আর সাধারণ রাস্তার অবস্থায় বাসে পৌঁছাতে ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা সময় লাগে।

যানজট, আবহাওয়া বা উৎসবের মৌসুমে এই সময় কিছুটা বাড়তে পারে। রাতের বাসে সাধারণত রাস্তা ফাঁকা থাকায় দিনের তুলনায় কিছুটা কম সময়ে পৌঁছানো যায়।

ঢাকা টু লালমনিরহাট বাসের সময়সূচী ও কাউন্টার

এই রুটে নাবিল পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, এস আর ট্রাভেলস, শাহ আলী পরিবহন, মানিক এক্সপ্রেস ও বুড়িমারি এক্সপ্রেসসহ একাধিক অপারেটর নিয়মিত বাস চালায়, যাদের বেশিরভাগ বাস গাবতলী, শ্যামলী, মহাখালী ও উত্তরা-আব্দুল্লাহপুর এলাকা থেকে ছেড়ে যায়।
  • এস আর ট্রাভেলস: গাবতলী বাসটার্মিনাল থেকে সকাল ৬:৩০, সকাল ১০:০০ এবং রাত ১১:৩০ মিনিটে ছাড়ে।
  • মানিক এক্সপ্রেস: গাবতলী থেকে সকাল ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত নিয়মিত সার্ভিস দেয়।
  • হানিফ এন্টারপ্রাইজ: শ্যামলী কলেজ গেট কাউন্টার থেকে সকাল ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত টিকিট পাওয়া যায়।
  • শাহ আলী পরিবহন: মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে সকাল ৮:১৫ ও বিকেল ৫টায় ছাড়ে; এয়ারপোর্ট ও উত্তরা-আব্দুল্লাহপুরেও কাউন্টার আছে।
  • সর্বশেষ বাস: সায়দাবাদ থেকে সাধারণত রাত ১১:১০ মিনিটে শেষ বাস লালমনিরহাটের উদ্দেশ্যে ছাড়ে।

ঢাকার কাউন্টার নম্বর

বাস কোম্পানি কাউন্টার ফোন নম্বর
এস আর ট্রাভেলসগাবতলী02-8011222
এস আর ট্রাভেলসআব্দুল্লাহপুর01711-944023
এস আর ট্রাভেলসমহাখালী01552-315831
হানিফ এন্টারপ্রাইজশ্যামলী কলেজ গেট01713-049575
হানিফ এন্টারপ্রাইজগাবতলী01713-201716
হানিফ এন্টারপ্রাইজসায়েদাবাদ01713-201732
শাহ আলী পরিবহনমহাখালী01755-673702
শাহ আলী পরিবহনগাবতলী (টেকনিক্যাল)01712-145662

লালমনিরহাট প্রান্তের কাউন্টার নম্বর

বাস কোম্পানি কাউন্টার ফোন নম্বর
এস আর ট্রাভেলসমিশন রোড, লালমনিরহাট01917-199993
শাহ আলী পরিবহনএয়ারপোর্ট রোড, লালমনিরহাট শহর01711-034177
শাহ আলী পরিবহনবুড়িমারী জিরো পয়েন্ট, পাটগ্রাম01717-756999

ঈদ বা অন্য যেকোনো বড় ছুটির সময় অতিরিক্ত স্পেশাল সার্ভিস চালু হয় এবং নিয়মিত সময়সূচিতে সাময়িক পরিবর্তন আসতে পারে, তাই ভ্রমণের আগে উপরের যেকোনো কাউন্টার নম্বরে ফোন করে সময়সূচি ও আসন নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো। মানিক এক্সপ্রেস, বুড়িমারি এক্সপ্রেসসহ বাকি অপারেটরদের হালনাগাদ নম্বর সরাসরি গাবতলী কাউন্টারে গিয়ে বা তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে যাচাই করে নেওয়া ভালো, যেহেতু নম্বর মাঝেমধ্যে পরিবর্তন হয়।

এসি বাসের ভাড়ার তালিকা

ঢাকা টু লালমনিরহাট রুটে এসি বাসের ভাড়া বাসের ক্লাস অনুযায়ী ১,০০০ থেকে ১,৭০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। ইকোনমিক ও বিজনেস ক্লাসের ভাড়া কাছাকাছি থাকলেও স্লিপার বেড কোচে ভাড়া তুলনামূলক বেশি।
বাসের নাম ব্র্যান্ড ধরন ভাড়া (টাকা)
এস আর ট্রাভেলসIsuzuইকোনমিক ক্লাস১০০০
এস আর ট্রাভেলসIsuzuবিজনেস ক্লাস১২০০
বরকত ট্রাভেলসIsuzuবিজনেস ক্লাস১২০০
হানিফ পরিবহনRM-2বিজনেস ক্লাস১৩০০
শাহ আলী পরিবহনAshok Leylandবিজনেস ক্লাস১২০০
বুড়িমারি এক্সপ্রেসAshok Leylandস্লিপার বেড১৫০০
শাহ আলী পরিবহনScaniaস্লিপার বেড১৭০০

নন-এসি বাসের ভাড়ার তালিকা

যারা কম বাজেটে যাত্রা করতে চান, তাদের জন্য নন-এসি ইকোনমি ক্লাস বাস ভাড়া ৭০০ থেকে ৮৫০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যায়, যা এই রুটের সবচেয়ে সাশ্রয়ী অপশন।
বাসের নাম ব্র্যান্ড ধরন ভাড়া (টাকা)
নাবিল পরিবহনHinoইকোনমি ক্লাস৮৫০
মানিক এক্সপ্রেসHinoইকোনমি ক্লাস৮০০
এস আর ট্রাভেলসIsuzuইকোনমি ক্লাস৮০০
বরকত ট্রাভেলসIsuzuইকোনমি ক্লাস৮০০
রোজিনা এন্টারপ্রাইজHinoইকোনমি ক্লাস৮০০
শাহ আলী পরিবহনHinoইকোনমি ক্লাস৮০০
ফাহমিতা এক্সপ্রেসHinoইকোনমি ক্লাস৮০০
বুড়িমারি এক্সপ্রেসHinoইকোনমি ক্লাস৭০০
উৎসব-ছুটির মৌসুমে (ঈদ, পূজা) চাহিদা বাড়ার কারণে উপরের ভাড়া সাময়িকভাবে বেড়ে যেতে পারে। যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট কাউন্টারে ফোন করে হালনাগাদ ভাড়া যাচাই করে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

যাত্রাপথের রুট

ঢাকা থেকে লালমনিরহাটের বাসগুলো মূলত জাতীয় মহাসড়ক (N5) ধরে চলাচল করে — টাঙ্গাইল, বঙ্গবন্ধু সেতু, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া হয়ে রংপুর পার হয়ে লালমনিরহাটে পৌঁছায়।
  1. ঢাকার গাবতলী/মহাখালী/শ্যামলী কাউন্টার থেকে যাত্রা শুরু
  2. টাঙ্গাইল হয়ে বঙ্গবন্ধু (যমুনা) সেতু পার
  3. সিরাজগঞ্জ থেকে বগুড়া অভিমুখে যাত্রা
  4. বগুড়া থেকে রংপুর শহর অতিক্রম
  5. রংপুর থেকে লালমনিরহাট সদরে পৌঁছানো

টিকিট বুক করার নিয়ম

ঢাকা টু লালমনিরহাট বাসের টিকিট সরাসরি কাউন্টারে গিয়ে অথবা সংশ্লিষ্ট বাস কোম্পানির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা শহজ (Shohoz)-এর মতো টিকিটিং সাইট থেকে কাটা যায়।
  • ঈদ বা বড় ছুটির আগে অন্তত ৩-৫ দিন আগে টিকিট বুক করে রাখুন, কারণ এই সময় টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
  • সাধারণ সময়ে যাত্রার ১-২ দিন আগে বুকিং দিলেই যথেষ্ট।
  • রাতের বাসে সিট বুকিংয়ের সময় জানালার পাশের সিট (window seat) চাইলে আগেভাগে উল্লেখ করুন।
  • ফেরার টিকিট আগেই কেটে রাখলে ছুটির মৌসুমে ভোগান্তি এড়ানো যায়।

বাসের বিকল্প — প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাস কখন ভালো

পরিবার নিয়ে ভ্রমণ করলে, ছোট শিশু বা বয়স্ক সদস্য সঙ্গে থাকলে, অথবা নিজের সময়সূচি অনুযায়ী মাঝপথে বিরতি নিতে চাইলে বাসের বদলে প্রাইভেট গাড়ি বা মাইক্রোবাস ভাড়া নেওয়া অনেক বেশি আরামদায়ক।

২-৪ জনের ছোট দলের জন্য কার ভাড়া আর ৭ জনের বেশি বড় পরিবার বা গ্রুপের জন্য মাইক্রোবাস ভাড়া সার্ভিস নেওয়া যায়, যেখানে দরজা থেকে দরজা পৌঁছে দেওয়া হয় এবং মাঝপথে ইচ্ছেমতো বিরতি নেওয়ার সুযোগ থাকে। যারা ঢাকার এয়ারপোর্ট থেকে যাত্রা শুরু করতে চান, তাদের জন্য এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার সার্ভিসও রয়েছে।

লালমনিরহাটের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি

লালমনিরহাট নামটি এসেছে ১৭৮৩ সালের এক ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলনের স্মৃতি থেকে। লালমনি নামে এক নারী কৃষক নেতা নুরুলদীনের সাথে মিলে ব্রিটিশ শাসক ও জমিদারদের বিরুদ্ধে কৃষকদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে জীবন উৎসর্গ করেন — তাঁর নামানুসারেই এলাকাটির নাম হয় “লালমনি”, পরে তার সাথে “হাট” যুক্ত হয়ে হয় “লালমনিরহাট”। জেলাটি প্রশাসনিকভাবে স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৪ সালে।

নামকরণের ইতিহাস (১৭৮৩)

রংপুরের ঐতিহাসিক কৃষক বিদ্রোহে লালমনি ও নুরুলদীনের নেতৃত্বে কৃষকরা অতিরিক্ত খাজনা ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন। এই আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখতেই এলাকাটির নাম হয় লালমনির নামে, যা পরবর্তীতে স্থানীয় হাট-বাজারের সাথে যুক্ত হয়ে আজকের “লালমনিরহাট” নামে পরিচিতি পায়।

জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা (১৯৮৪)

দীর্ঘদিন রংপুর জেলার একটি মহকুমা হিসেবে থাকার পর ১৯৮৪ সালে লালমনিরহাটকে পূর্ণাঙ্গ জেলার মর্যাদা দেওয়া হয়। বর্তমানে এটি রংপুর বিভাগের অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি উপজেলা নিয়ে গঠিত একটি সীমান্তবর্তী জেলা, যার উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।

বিমানবন্দরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব

লালমনিরহাট বিমানবন্দরটি ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হয় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রবাহিনীর একটি ফরোয়ার্ড এয়ারবেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। এটি একসময় দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম দীর্ঘ রানওয়েবিশিষ্ট বিমানঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল বলে স্থানীয় ইতিহাসে উল্লেখ পাওয়া যায়, যদিও পরবর্তী দশকগুলোতে এটি মূলত বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে সীমিত ব্যবহারে থেকেছে।

সীমান্ত ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য

ভারত সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় লালমনিরহাটের সংস্কৃতিতে রংপুর অঞ্চলের ভাওয়াইয়া গান, লোকজ মেলা ও কৃষিনির্ভর জীবনযাত্রার প্রভাব স্পষ্ট। তিস্তা নদীকে ঘিরে গড়ে ওঠা কৃষিব্যবস্থা এবং সীমান্ত-বাণিজ্য এই জেলার অর্থনৈতিক ও সামাজিক জীবনের একটি বড় অংশ।

লালমনিরহাটের উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থান

বাসে করে লালমনিরহাট গেলে ইতিহাস ও স্থাপত্যপ্রেমীদের জন্য ঘুরে দেখার মতো বেশ কিছু জায়গা আছে — জমিদারবাড়ি, প্রাচীন মসজিদ, সীমান্ত করিডোর থেকে শুরু করে নদীভিত্তিক স্থাপনা পর্যন্ত।

তুষভাণ্ডার জমিদার বাড়ি (কালীগঞ্জ)

কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভাণ্ডারে অবস্থিত এই জমিদারবাড়িটি প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। স্থানীয় ইতিহাস অনুযায়ী এটি এক সময়ের স্থানীয় মহারাজার আমলে নির্মিত হয় এবং এর নামকরণের সাথে জড়িয়ে আছে ধানের তুষ সংক্রান্ত একটি লোককাহিনি।

নিদারিয়া মসজিদ (সদর উপজেলা)

লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের বড়বাড়িতে অবস্থিত নিদারিয়া মসজিদ প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো একটি মুসলিম স্থাপত্য নিদর্শন, যা এই অঞ্চলের প্রাচীন ধর্মীয় ও স্থাপত্য ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করে।

কাকিনা জমিদার বাড়ি

ব্রিটিশ আমলে গড়ে ওঠা কাকিনা জমিদার বাড়ি এলাকার তৎকালীন প্রশাসনিক ও সামাজিক কেন্দ্র ছিল। জমিদারবাড়ির হাওয়া খানা (গ্রীষ্মকালীন বিশ্রামাগার) আজও স্থানীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচিত।

তিন বিঘা করিডোর ও বুড়িমারী জিরো পয়েন্ট (পাটগ্রাম)

পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত তিন বিঘা করিডোর একটি অনন্য ভৌগোলিক এলাকা, যা ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দহগ্রাম-আঙ্গরপোতাকে মূল ভূখণ্ডের সাথে সংযুক্ত করে। এর পাশেই রয়েছে বুড়িমারী স্থলবন্দর ও জিরো পয়েন্ট, যা বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

তিস্তা ব্যারেজ ও তিস্তা রেলওয়ে সেতু

তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত তিস্তা ব্যারেজ কৃষি সেচব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, আর তিস্তা রেলওয়ে সেতু ব্রিটিশ আমলের প্রকৌশল দক্ষতার একটি নিদর্শন হিসেবে আজও ফটোগ্রাফি ও ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে জনপ্রিয়।

কবি শেখ ফজলুল করিমের বাসভিটা

বিশিষ্ট বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক শেখ ফজলুল করিমের পৈতৃক বাসভিটা লালমনিরহাটে অবস্থিত, যা এলাকার সাহিত্য-সংস্কৃতির ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন।

লালমনিরহাট জেলা জাদুঘর

লালমনিরহাট সদরে অবস্থিত এই জাদুঘরে জেলার ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও স্থানীয় ঐতিহ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন নিদর্শন সংরক্ষিত আছে, যা এক জায়গায় বসেই লালমনিরহাটের অতীত জানার সুযোগ করে দেয়।

ভ্রমণের আগে জেনে রাখা ভালো যেসব বিষয়

  • শীতকালে (নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি) উত্তরবঙ্গে কুয়াশা বেশি থাকে, তাই ভোরের বাস মিস করতে না চাইলে আগেই কাউন্টারে পৌঁছান।
  • বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল প্লাজায় ঈদ বা বিশেষ ছুটির সময় দীর্ঘ যানজট হতে পারে, ফলে যাত্রার সময় বেড়ে যেতে পারে।
  • দীর্ঘ যাত্রায় বাস মাঝপথে খাবারের বিরতি নেয়, তাই হালকা খাবার সাথে রাখা ভালো।
  • সীমান্তবর্তী এলাকা (বুড়িমারী, তিন বিঘা করিডোর) ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্থানীয় নিয়মকানুন মেনে চলা উচিত।

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

ঢাকা টু লালমনিরহাট বাস ভাড়া কত? +

নন-এসি ইকোনমি ক্লাস বাসে ভাড়া সাধারণত ৭০০–৮৫০ টাকা, আর এসি বাসে ক্লাস অনুযায়ী ১,০০০–১,৭০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। ঈদ বা ছুটির মৌসুমে ভাড়া কিছুটা বাড়তে পারে।

ঢাকা থেকে লালমনিরহাট যেতে কত সময় লাগে? +

রাস্তার অবস্থার ওপর নির্ভর করে সাধারণত ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা সময় লাগে। রাতের বাসে রাস্তা ফাঁকা থাকায় সময় কিছুটা কম লাগতে পারে।

ঢাকার কোন কোন কাউন্টার থেকে লালমনিরহাটের বাস পাওয়া যায়? +

গাবতলী, শ্যামলী কলেজ গেট, মহাখালী, সায়দাবাদ এবং উত্তরা-আব্দুল্লাহপুর এলাকার কাউন্টার থেকে বিভিন্ন অপারেটরের বাস ছাড়ে।

শেষ বাস কখন ছাড়ে? +

সাধারণত রাত ১১টা থেকে ১১:৩০ মিনিটের মধ্যে শেষ বাস লালমনিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়, তবে অপারেটরভেদে সময় সামান্য ভিন্ন হতে পারে।

পরিবার নিয়ে ভ্রমণে বাসের বদলে কী বিকল্প আছে? +

পরিবার বা ছোট গ্রুপের জন্য প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাস ভাড়া নেওয়া অনেক বেশি আরামদায়ক, কারণ সময়সূচি নিজের হাতে থাকে এবং দরজা থেকে দরজা সার্ভিস পাওয়া যায়।

বাসের বদলে আরামদায়ক প্রাইভেট যাত্রা চাইলে

পুলিশ ভেরিফাইড চালক, ফিক্সড রেট ও ২৪/৭ সাপোর্ট নিয়ে চলো গাড়ি প্রস্তুত আপনার যাত্রার জন্য।

© ২০২৬ Chologari.com — সব তথ্য প্রকাশের সময় যাচাই করে হালনাগাদ করা হয়েছে।

সম্পর্কিত জনপ্রিয় রুট ও ফেয়ার গাইড

বাংলাদেশের যেকোনো জেলায় কার ও মাইক্রোবাস ভাড়ার তথ্য জেনে নিন

রুট ফেয়ার গাইড

ঢাকা টু মাগুরা মাইক্রোবাস ভাড়া: দূরত্ব, সময় ও সম্পূর্ণ গাইড | চলো গাড়ি

ভাড়া ও বিস্তারিত→
রুট ফেয়ার গাইড

ঢাকা টু মাগুরা গাড়ি ভাড়া আপডেট গাইড | রুট, সময় ও রেট

ভাড়া ও বিস্তারিত→
রুট ফেয়ার গাইড

ঢাকা টু ঠাকুরগাঁও বাস ভাড়া — সময়সূচী, কাউন্টার নাম্বার ও সম্পূর্ণ গাইড

ভাড়া ও বিস্তারিত→
রুট ফেয়ার গাইড

ঢাকা টু ঠাকুরগাঁও মাইক্রোবাস ভাড়া কত? দূরত্ব, খরচ ও বুকিং গাইড

ভাড়া ও বিস্তারিত→
রুট ফেয়ার গাইড

ঢাকা টু ঠাকুরগাঁও গাড়ি ভাড়া ২০২৬ — সম্পূর্ণ রেট ও বুকিং গাইড

ভাড়া ও বিস্তারিত→
রুট ফেয়ার গাইড

ঢাকা টু পঞ্চগড় বাস ভাড়া ২০২৬ — সময়সূচী, কাউন্টার নাম্বার ও সম্পূর্ণ গাইড

ভাড়া ও বিস্তারিত→