📅 আগস্ট ২০২৬ আপডেট  |  ✍️ চলো গাড়ি টিম

ঢাকা টু ভোলা মাইক্রোবাস ভাড়া ২০২৬ — সড়ক+ফেরি রুট, গ্রুপ ট্যুরের সম্পূর্ণ খরচ গাইড

বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা ভোলায় গ্রুপে যাচ্ছেন? মাইক্রোবাসের ভাড়া, রুট, ফেরি পার ও যাত্রার সময় — সব তথ্য একটিই পেজে।

১৬৩+৫০ কিমিসড়ক+ফেরি রুট
৮০০০–১৮০০০ ৳মাইক্রোবাস ভাড়া
৭–১০ ঘণ্টামোট যাত্রার সময়
৭–১৪ জনআসনসংখ্যা

ঢাকা টু ভোলা মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে তথ্য খুঁজতে গেলে অনেকেই বিভ্রান্তিতে পড়েন। কারণ ভোলা বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা — পুরোপথ সড়কে যাওয়ার সুযোগ নেই, মাঝে ফেরি বা স্পিডবোটে নদী পার হতে হয়। তাই মাইক্রোবাস করার মানে হলো গাড়িটি সড়কপথে নির্দিষ্ট ঘাট পর্যন্ত যাবে, সেখান থেকে আপনি ফেরিতে ভোলায় পৌঁছাবেন।

এই গাইডে ঢাকা থেকে ভোলা যাওয়ার সম্পূর্ণ রুট, সড়ক ও ফেরির দূরত্ব, ২০২৬ সালের আপডেটেড মাইক্রোবাস ভাড়া এবং ভোলার ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থানের তথ্য — সবকিছু একসাথে দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা থেকে ভোলা কত কিলোমিটার? সড়ক ও নদীপথের হিসাব

ভোলা একটি দ্বীপ জেলা হওয়ায় সম্পূর্ণ সড়কপথে পৌঁছানো সম্ভব নয়। দুটি প্রধান রুট আছে — প্রতিটিতে সড়ক ও নদীপথ মিলিয়ে যেতে হয়।

রুট সড়কপথ নদীপথ (ফেরি) মোট সময় সুবিধা
ঢাকা → পদ্মা সেতু → বরিশাল → ঘরের ঘাট → ভোলা ~১৬৩ কিমি ~৪০–৫০ কিমি (ফেরি ১–১.৫ ঘণ্টা) ৭–৯ ঘণ্টা সবচেয়ে জনপ্রিয় ও দ্রুত
ঢাকা → লক্ষ্মীপুর → মজুচৌধুরীর হাট → ভোলা ~১৩০ কিমি ~৫০ কিমি (ফেরি ১–২ ঘণ্টা) ৮–১০ ঘণ্টা বিকল্প রুট
ঢাকার সদরঘাট → ভোলা (লঞ্চ, সরাসরি) — ~১৮৮–১৯৫ কিমি (নদীপথ ৬–৮ ঘণ্টা) ৬–৮ ঘণ্টা গ্রুপে মাইক্রো নেওয়া যায় না
📌 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: মাইক্রোবাস ঘরের ঘাট বা মজুচৌধুরীর হাট পর্যন্ত যাবে। সেখান থেকে ফেরিতে ভোলায় পার হতে হবে। ফেরি টোল আলাদাভাবে দিতে হয় — মাইক্রোবাস সহ ফেরিতে পার হলে খরচ বেশি। তাই অনেক গ্রুপ গাড়ি ঘাটে রেখে শুধু যাত্রী হিসেবে ফেরি পার হয়।

ঢাকা টু ভোলা মাইক্রোবাস ভাড়া ২০২৬ — বিস্তারিত রেট

🚐
নোহা / ৭ সিট
৮০০০–১২০০০ ৳
ওয়ান ওয়ে (ঘাট পর্যন্ত)
🚐
হাইএস / ১২–১৩ সিট
১২০০০–১৮০০০ ৳
ওয়ান ওয়ে (ঘাট পর্যন্ত)
🚐
প্রিমিও / ১৪ সিট
১৪০০০–২০০০০ ৳
ওয়ান ওয়ে (ঘাট পর্যন্ত)
গাড়ির ধরন আসন ওয়ান ওয়ে (ঘাট পর্যন্ত) রাউন্ড ট্রিপ মাথাপিছু (ওয়ান ওয়ে, ১৩ জনে)
নোহা AC ৭ ৮,০০০–১২,০০০ ৳ ১৫,০০০–২২,০০০ ৳ ১,১৪৩–১,৭১৪ ৳
হাইএস AC ১৩ ১২,০০০–১৮,০০০ ৳ ২২,০০০–৩২,০০০ ৳ ৯২৩–১,৩৮৫ ৳
প্রিমিও AC ১৪ ১৪,০০০–২০,০০০ ৳ ২৬,০০০–৩৬,০০০ ৳ ১,০০০–১,৪২৯ ৳
⚠️ ফেরি খরচ আলাদা: উপরের ভাড়া শুধু সড়কপথের জন্য (ঘাট পর্যন্ত)। ফেরিতে শুধু যাত্রী পার হলে মাথাপিছু ৫০–১৫০ টাকা। মাইক্রোবাস সহ ফেরি পার হলে গাড়ির আলাদা টোল লাগে (৫০০–১,৫০০ টাকা)।

ঢাকা থেকে ভোলা মাইক্রোবাসে যাওয়ার সেরা রুট

রুট ১ — পদ্মা সেতু → বরিশাল → ঘরের ঘাট (সবচেয়ে জনপ্রিয়)

ঢাকা (যাত্রাবাড়ী)→ মাওয়া→ পদ্মা সেতু→ ভাঙ্গা→ বরিশাল→ ঘরের ঘাট→ 🚢 ফেরি→ 🏁 ভোলা সদর

সড়ক: ~১৬৩ কিমি। ঘাট থেকে ফেরিতে: ১–১.৫ ঘণ্টা। মোট সময়: ৭–৯ ঘণ্টা।

রুট ২ — লক্ষ্মীপুর → মজুচৌধুরীর হাট (বিকল্প রুট)

ঢাকা→ মেঘনা সেতু→ লক্ষ্মীপুর→ মজুচৌধুরীর হাট ঘাট→ 🚢 ফেরি→ 🏁 ভোলা সদর

সড়ক: ~১৩০ কিমি। ফেরিতে: ১–২ ঘণ্টা। মোট সময়: ৮–১০ ঘণ্টা।

মাইক্রোবাস বনাম লঞ্চ — ভোলা যাওয়ায় কোনটা সেরা?

বিষয় মাইক্রোবাস (রোড+ফেরি) সরাসরি লঞ্চ (ঢাকা→ভোলা) বাস + ফেরি
মোট খরচ (১৩ জন)১২,০০০–১৮,০০০ ৳ গাড়ি + ফেরিমাথাপিছু ৪০০–১৫০০ ৳ (কেবিনভেদে)মাথাপিছু ৩৫০–৭০০ ৳
মোট সময়৭–১০ ঘণ্টা৬–৮ ঘণ্টা (রাত)৮–১২ ঘণ্টা
একসাথে যাওয়া✔ হ্যাঁ✔ হ্যাঁ (কেবিন নিলে)❌ আলাদা বাসে
ভোলায় গাড়ি পাওয়া✔ (ফেরিতে গাড়ি নিলে)❌ না❌ না
সেরা কারণগ্রুপ ট্যুর, পিকনিকরাতের ভ্রমণ, কেবিনে ঘুমবাজেটে একা যেতে

🏛️ ভোলা জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য

ভোলায় মাইক্রোবাসে যাচ্ছেন — তাহলে যে জেলায় যাচ্ছেন তার সমৃদ্ধ ইতিহাসটা একটু জেনে নিন। ভোলার ইতিহাস শুধু ভ্রমণের আনন্দ বাড়াবে না, স্থানীয় মানুষের সাথে কথোপকথনেও কাজে আসবে।

১৮২২ সাল পর্যন্ত
বাকেরগঞ্জ জেলার অংশ
তৎকালীন “দক্ষিণ শাহবাজপুর” (ভোলার পূর্ব নাম) ১৮২২ সাল পর্যন্ত বাকেরগঞ্জ জেলার (বর্তমান বরিশাল) অংশ ছিল। পরে মেঘনা নদীর সম্প্রসারণে যোগাযোগ কঠিন হওয়ায় ব্রিটিশ সরকার এটিকে নোয়াখালী জেলার অন্তর্ভুক্ত করে।
১৮৪৫ সাল
ভোলা মহকুমা গঠন (ব্রিটিশ আমল)
নোয়াখালী জেলার অধীনে ১৮৪৫ সালে ভোলা মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়। দৌলতখানের আমানিয়া ছিল তখন প্রশাসনিক কেন্দ্র। এটি ব্রিটিশ প্রশাসনিক কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
১৮৬৯ সাল
বরিশালের সাথে পুনরায় যুক্ত
১৮৬৯ সালে ভোলা মহকুমাটি নোয়াখালী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পুনরায় বরিশাল জেলার সঙ্গে যুক্ত হয়। এরপর দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন হাটকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হতে থাকে।
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের জন্মভূমি
মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব “বীরশ্রেষ্ঠ” প্রাপ্ত ৭ জনের একজন, ল্যান্স নায়েক মোস্তফা কামাল ভোলার আমতলীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল আখাউড়ার গঙ্গাসাগর যুদ্ধে শহীদ হন।

ভোলার দর্শনীয় স্থান — গ্রুপ ট্যুরে যা দেখবেন

মাইক্রোবাসে গেলে স্বাধীনভাবে ঘুরতে পারবেন। ভোলায় পৌঁছে একই গাড়িতে এই স্থানগুলো ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করুন।

🏛️
বীরশ্রেষ্ঠ স্মৃতি
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্মৃতি জাদুঘর
ভোলার আমতলীতে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের স্মরণে নির্মিত এই জাদুঘরে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ও তাঁর জীবনের তথ্য সংরক্ষিত আছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে আগ্রহীদের জন্য এটি অবশ্য-দর্শনীয়।
🌿
বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
চর কুকরী-মুকরী অভয়ারণ্য
বঙ্গোপসাগরের কোলে অবস্থিত চর কুকরী-মুকরী বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। ম্যানগ্রোভ বন, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও হরিণের দেখা পাওয়া যায়। ১৯৮১ সালে এটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষিত হয়।
🏝️
দ্বীপ পর্যটন
মনপুরা দ্বীপ
মেঘনা নদীর বুকে অবস্থিত মনপুরা একটি নৈসর্গিক দ্বীপ। এখানে সূর্যাস্তের দৃশ্য অসাধারণ। গাছপালায় ঘেরা এই দ্বীপে হরিণ ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি রয়েছে। ভোলা থেকে নৌকায় মনপুরা যাওয়া যায়।
🕌
ঐতিহাসিক স্থান
দৌলতখান থানা — ব্রিটিশ আমলের ঐতিহ্য
ব্রিটিশ আমলে ভোলার প্রথম প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল দৌলতখান। ১৮৪৫ সালে মহকুমা গঠনের সময় এখানেই প্রশাসনিক কার্যালয় স্থাপিত হয়েছিল। ঐতিহাসিক স্থাপত্যের ছাপ এখনো এখানে দেখা যায়।
🐟
ইলিশের বাড়ি
মেঘনা নদী — ইলিশ মাছের আকর্ষণ
ভোলাকে “ইলিশের বাড়ি” বলা হয়। মেঘনা নদীতে ধরা তাজা ইলিশ ভোলার বিশেষ পরিচয়। মৌসুমে ভোলায় গেলে সরাসরি জেলেদের কাছ থেকে তাজা ইলিশ কিনতে পারবেন — যা ঢাকার বাজারের ইলিশের চেয়ে অনেক সতেজ।
🎭
লোকসংস্কৃতি
পালাগান ও ভাটিয়ালী সংগীত
ভোলার লোকসংস্কৃতিতে পল্লিগীতি, লালনগীতি, ভাটিয়ালী, পালাগান, কবিগান ও শিবের গাজন বিশেষভাবে প্রচলিত। স্থানীয় উৎসবে এই সংগীত পরিবেশন হয়। এই ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি বাংলাদেশের বিশেষ সম্পদ।

ভোলায় মাইক্রোবাস ট্যুরের আগে যা জানা দরকার

  • বর্ষা মৌসুমে (জুন–অক্টোবর) ভোলার ফেরি সার্ভিস বিঘ্নিত হতে পারে। এই সময়ে আগাম খোঁজ নিয়ে যান।
  • মাইক্রোবাস ঘাটে রেখে শুধু যাত্রী ফেরিতে পার হলে গাড়ির টোল বাঁচানো যায়। ভোলায় পৌঁছে লোকাল যান ভাড়া করা সম্ভব।
  • বুকিং দেওয়ার সময় স্পষ্টভাবে বলুন — গাড়িটি ঘাট পর্যন্ত যাবে না ফেরিতে তুলবেন। ভাড়া সেভাবেই নির্ধারিত হবে।
  • ভোলায় গেলে তাজা ইলিশ কিনতে ভুলবেন না। মৌসুমে (জুলাই–অক্টোবর) সেরা মানের ইলিশ পাওয়া যায়।
  • সকাল ৬–৭টায় রওনা দিলে পদ্মা সেতু ও ঘাটে ভিড় কম থাকে। দুপুর ১–৩টায় পৌঁছে পুরো বিকেল ঘুরতে পারবেন।
  • ফেরি সার্ভিস সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য BIWTC (Bangladesh Inland Water Transport Corporation) থেকে জেনে নিন।

ঢাকা টু ভোলা মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

  • ঢাকা থেকে ভোলা মাইক্রোবাস ভাড়া কত ২০২৬ সালে?
    +
    ২০২৬ সালে ঢাকা থেকে ভোলা মাইক্রোবাস ভাড়া গাড়ির মডেল অনুযায়ী ভিন্ন। নোহা (৭ সিট) ওয়ান ওয়ে ৮,০০০–১২,০০০ টাকা, হাইএস (১৩ সিট) ১২,০০০–১৮,০০০ টাকা এবং প্রিমিও (১৪ সিট) ১৪,০০০–২০,০০০ টাকা (ঘাট পর্যন্ত)। ফেরির টোল আলাদা।
  • ঢাকা থেকে ভোলা কত কিলোমিটার?
    +
    পদ্মা সেতু হয়ে বরিশাল পর্যন্ত সড়কপথ প্রায় ১৬৩ কিমি। বরিশাল থেকে ঘরের ঘাট হয়ে ফেরিতে ভোলা পর্যন্ত আরো ৪০–৫০ কিমি নদীপথ। মোট দূরত্ব প্রায় ২০০–২১৫ কিমি। নদীপথে সরাসরি লঞ্চে দূরত্ব ১৮৮–১৯৫ কিমি।
  • ঢাকা থেকে ভোলা মাইক্রোবাসে কতক্ষণ লাগে?
    +
    পদ্মা সেতু হয়ে বরিশাল → ঘরের ঘাট পর্যন্ত সড়কপথে ৩.৫–৫ ঘণ্টা। তারপর ফেরিতে ১–১.৫ ঘণ্টা। মোট ৭–৯ ঘণ্টা লাগে। যানজট বা ফেরির অপেক্ষায় ১০ ঘণ্টাও হতে পারে।
  • মাইক্রোবাস কি ফেরিতে তুলে ভোলায় নেওয়া যাবে?
    +
    হ্যাঁ, কিছু ফেরিতে গাড়ি নেওয়ার ব্যবস্থা আছে — তবে আলাদা টোল দিতে হবে (৫০০–১,৫০০ টাকা)। ভোলায় গিয়ে ঘোরার পরিকল্পনা থাকলে গাড়ি নেওয়া ভালো। তবে অনেক গ্রুপ গাড়ি ঘাটে রেখে ফেরিতে শুধু যাত্রী হিসেবে পার হন — এতে খরচ কম।
  • ভোলায় মাইক্রোবাস ট্যুরের জন্য কত দিনের পরিকল্পনা করা উচিত?
    +
    ভোলার প্রধান স্থানগুলো দেখতে ২ দিন ১ রাত যথেষ্ট। প্রথম দিন যাত্রা ও ভোলা সদর দেখুন, দ্বিতীয় দিন চর কুকরী-মুকরী বা মনপুরা ঘুরে বিকেলে ফেরার পথ ধরুন।
  • চলো গাড়ি থেকে ভোলার জন্য মাইক্রোবাস কীভাবে বুক করব?
    +
    ভাড়া চেক করুন পেজে গিয়ে রুট ও যাত্রীসংখ্যা দিলে সাথে সাথে আনুমানিক ভাড়া জানা যাবে। তারপর যোগাযোগ করলে ফিক্সড রেটে বুকিং কনফার্ম হবে।

উপসংহার

ঢাকা টু ভোলা মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে এখন পরিষ্কার ধারণা হওয়ার কথা। হাইএসে ১২,০০০–১৮,০০০ টাকায় ১৩ জনের দল একসাথে পদ্মা সেতু পার হয়ে, বরিশাল হয়ে, ফেরিতে চেপে ভোলা পৌঁছাতে পারবেন। মাথাপিছু খরচ পড়বে মাত্র ৯২৩–১,৩৮৫ টাকা — বাসের চেয়ে সামান্য বেশি, কিন্তু আরাম ও স্বাধীনতা অনেক বেশি।

আর ভোলা শুধু একটি গন্তব্য নয় — এটি ইতিহাস, ইলিশ ও প্রকৃতির এক অনন্য সমন্বয়। বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের স্মৃতি থেকে শুরু করে চর কুকরী-মুকরীর বন্যপ্রাণী পর্যন্ত — একটি পূর্ণাঙ্গ ট্যুর হবে অবশ্যই।

ভোলায় গ্রুপ ট্যুরের পরিকল্পনা করছেন?

চলো গাড়ি থেকে পুলিশ ভেরিফাইড চালকসহ AC মাইক্রোবাস বুক করুন — ফিক্সড রেটে, কোনো হিডেন চার্জ ছাড়াই।

💰 ভাড়া চেক করুন 🚐 মাইক্রোবাস সার্ভিস দেখুন

সম্পর্কিত জনপ্রিয় রুট ও ফেয়ার গাইড

বাংলাদেশের যেকোনো জেলায় কার ও মাইক্রোবাস ভাড়ার তথ্য জেনে নিন

রুট ফেয়ার গাইড

ঢাকা টু মাগুরা মাইক্রোবাস ভাড়া: দূরত্ব, সময় ও সম্পূর্ণ গাইড | চলো গাড়ি

ভাড়া ও বিস্তারিত→
রুট ফেয়ার গাইড

ঢাকা টু মাগুরা গাড়ি ভাড়া আপডেট গাইড | রুট, সময় ও রেট

ভাড়া ও বিস্তারিত→
রুট ফেয়ার গাইড

ঢাকা টু ঠাকুরগাঁও বাস ভাড়া — সময়সূচী, কাউন্টার নাম্বার ও সম্পূর্ণ গাইড

ভাড়া ও বিস্তারিত→
রুট ফেয়ার গাইড

ঢাকা টু ঠাকুরগাঁও মাইক্রোবাস ভাড়া কত? দূরত্ব, খরচ ও বুকিং গাইড

ভাড়া ও বিস্তারিত→
রুট ফেয়ার গাইড

ঢাকা টু ঠাকুরগাঁও গাড়ি ভাড়া ২০২৬ — সম্পূর্ণ রেট ও বুকিং গাইড

ভাড়া ও বিস্তারিত→
রুট ফেয়ার গাইড

ঢাকা টু পঞ্চগড় বাস ভাড়া ২০২৬ — সময়সূচী, কাউন্টার নাম্বার ও সম্পূর্ণ গাইড

ভাড়া ও বিস্তারিত→