ঢাকা থেকে মেহেরপুরের সড়কপথ দূরত্ব রুট বেছে নেওয়ার ওপর নির্ভর করে — তিনটি সম্ভাব্য রুটের মধ্যে সবচেয়ে কম দূরত্বের রুট (ঢাকা-কুষ্টিয়া মহাসড়ক ধরে) প্রায় ২৩০–২৫০ কিলোমিটার, আর জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল-জামালপুর হয়ে ঘুরপথে গেলে দূরত্ব বেড়ে ২৭৫–২৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। বাসে এই দূরত্ব পাড়ি দিতে সাধারণত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগে।
এই রুটে জেআর পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, এস.এম পরিবহন ও রয়েল এক্সপ্রেস চলাচল করে। বেশিরভাগ বাসই গাবতলী থেকে ছাড়ে এবং একটানা মেহেরপুর পর্যন্ত যায়।
| পরিবহন | নন-এসি | এসি |
|---|---|---|
| শ্যামলী পরিবহন / চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স / এস.এম পরিবহন | ৳৪৫০ | — |
| জেআর পরিবহন | ৳৪৫০ | ৳৬০০–৮০০ |
| রয়েল এক্সপ্রেস | ৳৪৫০–৬০০ | ৳৭০০–১,০০০ |
৭–৮ ঘণ্টার এত লম্বা যাত্রায় পাবলিক বাস সাশ্রয়ী হলেও সবার জন্য আরামদায়ক নয়। নিচের পরিস্থিতিতে প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাস ভাড়া করাই বেশি ব্যবহারিক:
এত লম্বা পথে বাসের সিটে টানা বসে থাকা শিশু বা বয়স্কদের জন্য কষ্টকর।
প্রাইভেট গাড়িতে খাওয়া বা বিশ্রামের জন্য নিজের ইচ্ছামতো বিরতি নেওয়া যায়।
বাসে লাগেজের জায়গা সীমিত, প্রাইভেট গাড়িতে সমস্যা হয় না।
এত দূরের রুটে কাউন্টার পর্যন্ত যাওয়া-আসার বাড়তি ধকল এড়ানো যায়।
| মাধ্যম | সময় | সুবিধা | আনুমানিক খরচ |
|---|---|---|---|
| পাবলিক বাস | ৭–৮ ঘণ্টা | সবচেয়ে কম খরচ, তবে দীর্ঘ ও কম নমনীয় | মাথাপিছু ৳৪৫০–১,০০০ |
| প্রাইভেট কার ভাড়া | ৬–৮ ঘণ্টা | দরজা থেকে দরজা, নিজের সময়ে বিরতি | ৳৯,০০০–১৩,০০০ (পুরো গাড়ি) |
| মাইক্রোবাস ভাড়া | ৬–৮ ঘণ্টা | পরিবার বা ৫+ জনের দল, বেশি লাগেজ | ৳১১,০০০–১৯,০০০ (পুরো গাড়ি) |
নন-এসি বাসের ভাড়া সাধারণত ৳৪৫০, আর এসি বাসের ভাড়া ৳৬০০ থেকে ৳১,০০০ পর্যন্ত হতে পারে, পরিবহন কোম্পানি ও সিটের অবস্থানভেদে।
জেআর পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, এস.এম পরিবহন ও রয়েল এক্সপ্রেস এই রুটের প্রধান পরিবহন, বেশিরভাগই গাবতলী থেকে ছাড়ে।
রুট অনুযায়ী সাধারণত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগে। ঢাকা-কুষ্টিয়া মহাসড়ক ধরে গেলে সবচেয়ে কম সময় লাগে।
এত লম্বা রুটে ২–৩ জনের জন্য বাস সাশ্রয়ী হলেও, পরিবার বা শিশু-বয়স্কদের নিয়ে গেলে প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাস ভাড়া করাই আরামদায়ক ও নমনীয় সমাধান।
বাজেট কম আর একা বা দুজন যাত্রী হলে পাবলিক বাসই সবচেয়ে সহজ সমাধান। পরিবার, বয়স্ক যাত্রী বা আরামদায়ক যাত্রা জরুরি হলে প্রাইভেট গাড়ি ভাড়া করাই বুদ্ধিমানের কাজ।