🚌 রুট ও ইতিহাস গাইড ২০২৬

ঢাকা টু কিশোরগঞ্জ বাস ভাড়া ২০২৬ — এসি, নন-এসি ভাড়া, সময়সূচী ও কাউন্টার নম্বর

একুশে সার্ভিস, এনা ট্রান্সপোর্ট, বিআরটিসি ও ঈশা এন্টারপ্রাইজসহ সব বাসের ভাড়া, সময়সূচী, কাউন্টার ফোন নম্বর এবং জঙ্গলবাড়ি দুর্গ থেকে শোলাকিয়া ঈদগাহ পর্যন্ত কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্য — সব একসাথে এই গাইডে।

🗓️ আপডেট: আগস্ট ২০২৬ ⏱️ পড়তে ৯ মিনিট ✅ যাচাইকৃত তথ্য
🛣️
১২০ কিমি
সড়ক দূরত্ব
৩.৫–৪.৫ ঘণ্টা
আনুমানিক সময়
🚌
৳২৫০–৩৫০
নন-এসি ভাড়া
❄️
৳৩৫০–৪৪০
এসি ভাড়া

ঢাকা টু কিশোরগঞ্জ বাস ভাড়া খুঁজতে গিয়ে অনেকেই সঠিক তথ্য না পেয়ে বিভ্রান্ত হন, কারণ বেশিরভাগ কন্টেন্টে কাউন্টার নম্বর বা হালনাগাদ সময়সূচী দেওয়া থাকে না। এই গাইডে আমরা কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী দূরত্ব, ২০২৬ সালের হালনাগাদ ভাড়া, সময়সূচী, সরাসরি কাউন্টার ফোন নম্বর এবং জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য একসাথে তুলে ধরেছি।

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জের সড়ক দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও ভৈরব-কিশোরগঞ্জ সড়ক হয়ে বাসে এই পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে সাধারণত ৩.৫ থেকে ৪.৫ ঘণ্টা, রুট ও যানজটের ওপর নির্ভর করে যা কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

ঢাকা টু কিশোরগঞ্জ বাস ভাড়া ২০২৬ — দ্রুত তালিকা

ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ নন-এসি বাসের ভাড়া সাধারণত ৳২৫০ থেকে ৳৩৫০ এবং এসি বাসের ভাড়া ৳৩৫০ থেকে ৳৪৪০-এর মধ্যে থাকে। কোম্পানি, সিটের অবস্থান ও মৌসুমভেদে এই ভাড়া কিছুটা ওঠানামা করতে পারে।
🚌

নন-এসি বাস

৳২৫০–৩৫০
প্রতি সিট, সাধারণ কোচ
❄️

এসি বাস

৳৩৫০–৪৪০
প্রতি সিট, এসি কোচ
🚐

রিজার্ভ মাইক্রোবাস

৳৫,০০০–৬,৫০০
দল নিয়ে গেলে, পুরো গাড়ি
⚠️ সতর্কতা: জ্বালানি তেলের মূল্য পরিবর্তন, ঈদ বা পূজার মৌসুমে (বিশেষত শোলাকিয়ার ঈদ জামাতের সময়) ভাড়া ২০–৩০% পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট কাউন্টারে ভাড়া নিশ্চিত করে নেওয়াই ভালো।

কোম্পানিভিত্তিক বিস্তারিত ভাড়ার তালিকা

ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ রুটে একুশে সার্ভিস, এনা ট্রান্সপোর্ট, বিআরটিসি, ঈশা এন্টারপ্রাইজসহ একাধিক কোম্পানির বাস নিয়মিত চলাচল করে। নিচের তালিকায় প্রতিটি কোম্পানির হালনাগাদ এসি ও নন-এসি ভাড়া দেওয়া হলো।

বাস কোম্পানিনন-এসি ভাড়াএসি ভাড়া
একুশে সার্ভিস৳৩০০৳৪৪০
এনা ট্রান্সপোর্ট৳৩০০৳৪২০
বিআরটিসি৳৩০০৳৪৪০
ঈশা এন্টারপ্রাইজ৳২৫০৳৩৫০
সুপার বাস সার্ভিস৳২৭০–৩০০
অতিথি পরিবহন৳২৭০–৩০০

ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ বাসের সময়সূচী

ঢাকা টু কিশোরগঞ্জ রুটে বেশিরভাগ বাস ভোর ও সকালের দিকে ছাড়ে, কারণ দিনের শুরুতে ঢাকার যানজট তুলনামূলক কম থাকে। নিচের তালিকায় প্রধান কোম্পানিগুলোর ছাড়া ও পৌঁছানোর সময় দেওয়া হলো।
বাসের নামছাড়ার সময়পৌঁছানোর সময়
একুশে সার্ভিসভোর ৫:৩০সকাল ৯:৩০
এনা ট্রান্সপোর্টসকাল ৬:৩০সকাল ১০:১০
বিআরটিসিসকাল ৭:১০সকাল ১১:৩০
ঈশা এন্টারপ্রাইজসকাল ৭:৩০সকাল ১১:৩০

উপরের সময়সূচী সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে, তবে যেকোনো সময় এতে পরিবর্তন হতে পারে। তাই যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট কাউন্টার থেকে সময় ফোনে নিশ্চিত করে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

বাস কাউন্টারের নাম ও যোগাযোগ নম্বর

অগ্রিম টিকিট কাটতে বা সময়সূচী নিশ্চিত করতে নিচের কাউন্টার নম্বরগুলোতে সরাসরি কল করতে পারেন।

অনন্যা ক্লাসিক ০১৭১৩৫২৮৪৪৫
তিশা কোচ (গুলিস্তান) ০১৭৪১৭৫৪৭৬৪
চামড়াবন্দর এক্সপ্রেস ০১৭৮৩৮৯৫৫৮৮
বিআরটিসি ০১৭২৪৮৬৯১৮৭

💡 মনে রাখবেন: কাউন্টার নম্বর মাঝে মাঝে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই কল করে সাড়া না পেলে সংশ্লিষ্ট বাস কোম্পানির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ বা Shohoz.com-এর মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকেও হালনাগাদ নম্বর ও টিকিট তথ্য যাচাই করে নিতে পারেন।

রুট ও দূরত্ব

ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জের সড়ক দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার, যা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ধরে গাজীপুর-ভালুকা হয়ে অথবা ঢাকা-ভৈরব রুট হয়ে পাড়ি দেওয়া যায়। রেলপথে দূরত্ব কিছুটা কম, প্রায় ১০৮ কিলোমিটার, আর আন্তঃনগর ট্রেনে সময় লাগে প্রায় ৪ ঘণ্টা।
যাতায়াত মাধ্যমদূরত্বসময়
বাস (সড়কপথ)১২০ কিমি৩.৫–৪.৫ ঘণ্টা
আন্তঃনগর ট্রেন (রেলপথ)~১০৮ কিমি~৪ ঘণ্টা
রিজার্ভ মাইক্রোবাস / প্রাইভেট কার১২০ কিমি৩–৪ ঘণ্টা

টিকিট কাটার নিয়ম — অনলাইন ও কাউন্টারে

অনলাইনে টিকিট

Shohoz.com-এর মতো প্ল্যাটফর্ম থেকে রুট ও তারিখ বেছে সিট বুক করা যায়, বিশেষত এনা বা একুশে সার্ভিসের মতো বড় কোম্পানির ক্ষেত্রে।

কাউন্টারে সরাসরি

উপরের কাউন্টার নম্বরে ফোন করে বা সরাসরি গিয়ে টিকিট কাটতে পারেন। ঈদের সময় (বিশেষত শোলাকিয়ার জামাতের আগে) অন্তত ৩–৫ দিন আগে টিকিট কাটার পরামর্শ দেওয়া হয়।

ফোনে বুকিং

অনেক কাউন্টারে ফোন করেও সিট বুক করা যায়, তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টিকিট সংগ্রহ না করলে বুকিং বাতিল হয়ে যেতে পারে।

কিশোরগঞ্জের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থান

কিশোরগঞ্জ শুধু হাওরের সৌন্দর্যের জন্যই নয়, ইতিহাস-ঐতিহ্যের দিক থেকেও অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি জেলা। ষোড়শ শতকে বারো ভূঁইয়াদের নেতা মসনদ-ই-আলা ঈসা খাঁর শাসনামল থেকে শুরু করে মুঘল আমলের স্থাপত্য — এই জেলার প্রতিটি কোণায় ইতিহাসের চিহ্ন ছড়িয়ে আছে।

🏰
ষোড়শ শতক — ঈসা খাঁর আমল

জঙ্গলবাড়ি দুর্গ (ঈশা খাঁর দুর্গ)

বারো ভূঁইয়াদের নেতা মসনদ-ই-আলা ঈসা খাঁর দ্বিতীয় রাজধানী ছিল এই দুর্গ, করিমগঞ্জ উপজেলার জঙ্গলবাড়ি গ্রামে নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে দুর্গের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আর ২০০৫ সালে দরবারগৃহ সংস্কার করে সেখানে ঈশা খাঁ স্মৃতি জাদুঘর ও পাঠাগার স্থাপন করা হয়।

🕌
মুঘল আমল — সম্রাট শাহজাহান

শেখ সাদী জামে মসজিদ

পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারসিন্দুর গ্রামে অবস্থিত এই প্রাচীন মসজিদটি একটি সংযুক্ত শিলালিপি অনুযায়ী মুঘল সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলে নির্মিত বলে জানা যায়।

🕋
সুলতানি আমল (আনুমানিক)

কুতুব শাহ মসজিদ

হাওরের রানী খ্যাত অষ্টগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত এই মসজিদটি বাংলাদেশের অন্যতম পুরনো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, যা সুলতানি আমলে নির্মিত বলে ধারণা করা হয়।

🕋
উপমহাদেশের বৃহত্তম ঈদগাহ

শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় প্রায় ৬.৬১ একর জমিতে অবস্থিত শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদগাহ, যেখানে প্রতিবছর ঈদের নামাজে লাখো মুসল্লি একসাথে জামাতে অংশ নেন।

✍️
মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্য

চন্দ্রাবতীর বাড়ি

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মহিলা কবি হিসেবে পরিচিত চন্দ্রাবতীর ভিটেবাড়ি কিশোরগঞ্জে সংরক্ষিত, যা এই জেলার সাহিত্যিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

🏯
মধ্যযুগীয় স্থাপনা

এগারসিন্দুর দুর্গ

পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারসিন্দুর এলাকায় অবস্থিত এই দুর্গ মধ্যযুগীয় বাংলার আঞ্চলিক শাসন ও সামরিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।

ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ বাসে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ টিপস

যাত্রার আগে

  • ভোরের বাস বেছে নিলে ঢাকার যানজট এড়িয়ে দ্রুত পৌঁছানো যায়, একুশে সার্ভিসের মতো ভোর ৫:৩০-এর ট্রিপ এক্ষেত্রে সুবিধাজনক
  • ঈদের সময় বাড়তি সতর্কতা রাখুন: শোলাকিয়ার ঈদ জামাতের সময় কিশোরগঞ্জ শহরে ও আশেপাশের সড়কে প্রচণ্ড ভিড় থাকে, তাই টিকিট আগেই কেটে রাখুন
  • কাউন্টার নম্বরে আগে থেকেই যোগাযোগ করুন: সিট নিশ্চিত করতে ও সঠিক সময় জানতে যাত্রার আগের দিন একবার ফোন করে নেওয়া ভালো

পথের অবস্থা

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বেশিরভাগ অংশ প্রশস্ত ও মসৃণ, তবে ভালুকা বা গফরগাঁও এলাকায় স্থানীয় যানবাহনের কারণে গতি কিছুটা কমে যেতে পারে। ঈদ বা বড় ছুটির সময় যানজট আরও বাড়তে পারে, তাই হাতে বাড়তি সময় রাখা ভালো।

কিশোরগঞ্জে পৌঁছে

কিশোরগঞ্জ শহরের বাস স্ট্যান্ডে বাস থামে, সেখান থেকে রিকশা বা অটোরিকশায় সহজেই শহরের যেকোনো জায়গায় যাওয়া যায়। জঙ্গলবাড়ি দুর্গ বা শোলাকিয়া ঈদগাহ দেখতে চাইলে স্থানীয় সিএনজি ভাড়া করাই সুবিধাজনক।

বাস বনাম মাইক্রোবাস — কোনটা বেছে নেবেন?

🚌 বাস — সেরা যখন

  • একা বা ২–৩ জন যাচ্ছেন
  • বাজেট সবচেয়ে কম রাখতে চান
  • নির্ধারিত সময়সূচী মেনে চলতে পারেন

🚐 মাইক্রোবাস — সেরা যখন

  • পরিবার বা দল নিয়ে যাচ্ছেন
  • নিজের পছন্দমতো সময়ে রওনা দিতে চান
  • জঙ্গলবাড়ি বা শোলাকিয়ার মতো একাধিক স্পট ঘুরে দেখতে চান

দল বেঁধে যেতে চাইলে মাইক্রোবাস ভাড়া নিলে মাথাপিছু খরচ বাসের কাছাকাছি বা কম পড়তে পারে, সঙ্গে যাত্রাও হয় অনেক বেশি স্বাধীন ও আরামদায়ক।

আপনার রুটের সঠিক ভাড়া নিজেই যাচাই করুন

যেকোনো থানা থেকে যেকোনো থানার বাস, কার বা মাইক্রোবাস ভাড়া মুহূর্তেই জেনে নিন — কোনো ঝামেলা ছাড়াই।

সাধারণ প্রশ্নোত্তর

ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ বাস ভাড়া কত ২০২৬ সালে?

নন-এসি বাসে সাধারণত প্রতি সিট ৳২৫০ থেকে ৳৩৫০ এবং এসি বাসে ৳৩৫০ থেকে ৳৪৪০ পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হয়। কোম্পানি ও মৌসুম অনুযায়ী এই ভাড়া কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।

ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ কত কিলোমিটার?

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী সড়কপথে দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার। রেলপথে দূরত্ব কিছুটা কম, প্রায় ১০৮ কিলোমিটার।

বাসে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ যেতে কত সময় লাগে?

স্বাভাবিক অবস্থায় ৩.৫ থেকে ৪.৫ ঘণ্টা সময় লাগে। ঢাকার ভেতরের যানজট বা ছুটির মৌসুমে (বিশেষত ঈদের সময়) এই সময় আরও বেড়ে যেতে পারে।

ঢাকা টু কিশোরগঞ্জ বাসের কাউন্টার নম্বর কোথায় পাব?

অনন্যা ক্লাসিক (০১৭১৩৫২৮৪৪৫), তিশা কোচ-গুলিস্তান (০১৭৪১৭৫৪৭৬৪), চামড়াবন্দর এক্সপ্রেস (০১৭৮৩৮৯৫৫৮৮) এবং বিআরটিসি (০১৭২৪৮৬৯১৮৭) — এই নম্বরগুলোতে সরাসরি কল করে টিকিট ও সময়সূচী নিশ্চিত করা যায়।

কিশোরগঞ্জের জঙ্গলবাড়ি দুর্গ কে নির্মাণ করেন?

বারো ভূঁইয়াদের নেতা মসনদ-ই-আলা ঈসা খাঁ ষোড়শ শতকে এই দুর্গকে তার দ্বিতীয় রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলেন। এটি করিমগঞ্জ উপজেলার জঙ্গলবাড়ি গ্রামে নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত।

কোন সময়ের বাস সবচেয়ে ভালো?

ভোর বা সকালের বাস (যেমন একুশে সার্ভিসের ভোর ৫:৩০-এর ট্রিপ) সবচেয়ে ভালো, কারণ এই সময় ঢাকার যানজট কম থাকে এবং দুপুরের আগেই কিশোরগঞ্জ পৌঁছানো যায়।

শেষ কথা

ঢাকা টু কিশোরগঞ্জ বাস ভাড়া সম্পর্কে এখন আপনার কাছে সব প্রয়োজনীয় তথ্য আছে — ভাড়া, সময়সূচী, কাউন্টার নম্বর ও জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য। মাত্র ১২০ কিলোমিটার দূরত্বের এই রুটে একা বা অল্প সংখ্যক যাত্রী হলে বাসই সবচেয়ে সাশ্রয়ী মাধ্যম।

পরিবার বা দলগতভাবে জঙ্গলবাড়ি দুর্গ, শোলাকিয়া ঈদগাহ বা এগারসিন্দুরের মতো ঐতিহাসিক স্থান দেখতে যেতে চাইলে মাইক্রোবাস ভাড়া করে নেওয়া বেশি আরামদায়ক হতে পারে। যেভাবেই যান — যাত্রা হোক নিরাপদ ও নির্ঝঞ্ঝাট।