ঢাকা টু গোপালগঞ্জ বাস ভাড়া ২০২৬: সম্পূর্ণ গাইড, কাউন্টার নম্বর ও সময়সূচী

ঢাকা টু গোপালগঞ্জ বাস ভাড়া সাধারণত রুট ও বাস সার্ভিসের মানভেদে ২০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর মাওয়া হয়ে এই যাত্রা আগের চেয়ে অনেক দ্রুত ও সহজ হয়ে গেছে। এই লেখায় আপনি পাবেন হালনাগাদ ভাড়ার তালিকা, নন-এসি ও এসি বাসের পার্থক্য, প্রতিটি কাউন্টারের ফোন নম্বর, দূরত্ব, সময়সূচী এবং সেইসঙ্গে গোপালগঞ্জ জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থানগুলোর বিস্তারিত তথ্য।

ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের দূরত্ব কত কিলোমিটার

ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের দূরত্ব রুটভেদে ভিন্ন। মাওয়া-পদ্মা সেতু হয়ে গেলে দূরত্ব প্রায় ১৪০-১৪৪ কিলোমিটার, যা এখন অধিকাংশ বাস ব্যবহার করে। অন্যদিকে পুরনো পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট রুটে দূরত্ব প্রায় ২১২ কিলোমিটার। মাওয়া রুটে সময় লাগে সাধারণত ৩-৪ ঘণ্টা, যেখানে পাটুরিয়া রুটে ফেরি পারাপারসহ সময় লাগতে পারে ৫-৬ ঘণ্টা পর্যন্ত।

ঢাকা টু গোপালগঞ্জ বাস ভাড়া ২০২৬ (নন-এসি ও এসি)

সায়েদাবাদ ও গুলিস্তান থেকে মাওয়া হয়ে চলাচলকারী নন-এসি বাসের ভাড়া সাধারণত ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। এসি বাস সার্ভিসের ভাড়া তুলনামূলক বেশি এবং তা বাস কোম্পানি ও সিটের মানভেদে পরিবর্তিত হয়। জ্বালানি তেলের দাম ও সড়ক পরিস্থিতির কারণে ভাড়া মাঝেমধ্যে সামান্য ওঠানামা করতে পারে, তাই যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট কাউন্টারে ফোন করে ভাড়া নিশ্চিত করে নেওয়াই ভালো।

বাস ক্যাটাগরি রুট আনুমানিক ভাড়া যাত্রার সময়
নন-এসি গুলিস্তান/সায়েদাবাদ – মাওয়া – গোপালগঞ্জ ২০০-২৫০ টাকা ৩-৪ ঘণ্টা
এসি গুলিস্তান/সায়েদাবাদ – মাওয়া – গোপালগঞ্জ কোম্পানিভেদে ভিন্ন (কাউন্টারে যাচাই করুন) ৩-৪ ঘণ্টা
নন-এসি (পাটুরিয়া রুট) গাবতলী – পাটুরিয়া – গোপালগঞ্জ ২৫০-৩৫০ টাকা ৫-৬ ঘণ্টা

সঠিক ও হালনাগাদ ভাড়া যাচাই করতে চাইলে এখান থেকে ভাড়া চেক করে নিতে পারেন

ঢাকা টু গোপালগঞ্জ রুটে চলাচলকারী বাস সার্ভিসসমূহ

এই রুটে বেশ কয়েকটি পরিবহন প্রতিদিন নিয়মিত সার্ভিস দিয়ে থাকে। প্রধান রুট হলো: গুলিস্তান/সায়েদাবাদ → মাওয়া → মুকসুদপুর → কাশিয়ানী → গোপালগঞ্জ → টুঙ্গিপাড়া, আবার কিছু বাস গাবতলী → পাটুরিয়া হয়েও চলাচল করে।

  • টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস
  • ইমাদ পরিবহন
  • মধুমতি পরিবহন (ফাল্গুনী-মধুমতি)
  • দোলা পরিবহন
  • ওয়েলকাম এক্সপ্রেস
  • কমফোর্ট লাইন
  • গোল্ডেন লাইন
  • রাজধানী পরিবহন
  • দিগন্ত পরিবহন
  • সুবর্ণ পরিবহন
  • কোটালিপাড়া স্টার লাইন
  • বিআরটিসি বাস

এছাড়া খুলনা, বাগেরহাট বা পিরোজপুরগামী প্রায় সব বাসেই গোপালগঞ্জে নেমে যাওয়া যায়, কারণ এই জেলাগুলোর রুট গোপালগঞ্জের ওপর দিয়েই যায়।

ঢাকা টু গোপালগঞ্জ বাস কাউন্টার নম্বর

নিচে জনপ্রিয় কয়েকটি পরিবহনের কাউন্টার মোবাইল নম্বর দেওয়া হলো। যাত্রার আগে টিকিট নিশ্চিত করতে সরাসরি কাউন্টারে যোগাযোগ করে নেওয়া ভালো, কারণ নম্বর বা সময়সূচী মাঝে মাঝে পরিবর্তিত হতে পারে।

পরিবহন রুট মোবাইল নম্বর
ইমাদ পরিবহন গোপালগঞ্জ – সায়েদাবাদ/গুলিস্তান (মাওয়া/পদ্মা সেতু হয়ে) ০১৩১৮৩০৩১৭৮ (গোপালগঞ্জ)
মধুমতি পরিবহন গোপালগঞ্জ – সায়েদাবাদ/গুলিস্তান (পদ্মা সেতু হয়ে) ০১৭১৬০১৯৯৩৭ (গোপালগঞ্জ), ০১৭১১৯০০৬১৯ (ঢাকা)
টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস গোপালগঞ্জ – সায়েদাবাদ/গুলিস্তান (পদ্মা সেতু হয়ে) ০১৭১৬৪৭৯৬৩১ (গোপালগঞ্জ), ০১৭১৬২১১৬৪২ (ঢাকা)
ওয়েলকাম এক্সপ্রেস গোপালগঞ্জ – সায়েদাবাদ/গুলিস্তান (পদ্মা সেতু হয়ে) ০১৩২১২১৬৩১৮ (গোপালগঞ্জ)
দোলা পরিবহন গোপালগঞ্জ – সায়েদাবাদ/গুলিস্তান (পদ্মা সেতু হয়ে) ০১৭১১৩১১৭৫৬ (গোপালগঞ্জ), ০১১৯৯০৩০১৮১ (ঢাকা)
কমফোর্ট লাইন গোপালগঞ্জ – সায়েদাবাদ/গুলিস্তান (পাটুরিয়া ফেরিঘাট হয়ে) ০১৭১৬৪৫৩০৬১

নির্দিষ্ট কোনো পরিবহনের সিট বা প্যাকেজ পরিকল্পনা নিয়ে সরাসরি সহায়তা লাগলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন

ঢাকা টু গোপালগঞ্জ বাসের সময়সূচী

বেশিরভাগ পরিবহন ভোর থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত একাধিক ট্রিপ পরিচালনা করে, সাধারণত প্রতি ৩০-৬০ মিনিট পরপর একটি করে বাস ছাড়ে। যেহেতু ট্রিপের সংখ্যা মৌসুম ও চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়, তাই ভ্রমণের দিন সকালেই কাউন্টারে ফোন করে সর্বশেষ সময়সূচী জেনে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

যেসব উপায়ে টিকিট বুক করবেন

টিকিট কাটার জন্য তিনটি সহজ উপায় রয়েছে:

  • সরাসরি সায়েদাবাদ, গুলিস্তান বা গাবতলী কাউন্টারে গিয়ে টিকিট কাটা।
  • উপরের তালিকার মোবাইল নম্বরে ফোন করে সিট বুক করা।
  • পরিবহন কোম্পানির নিজস্ব অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা সংশ্লিষ্ট টিকিটিং অ্যাপ ব্যবহার করা।

পরিবার বা দল নিয়ে ভ্রমণে ব্যক্তিগত সুবিধা চাইলে মাইক্রোবাস ভাড়া কিংবা প্রাইভেট কার ভাড়া নেওয়াও একটি আরামদায়ক বিকল্প হতে পারে, বিশেষ করে টুঙ্গিপাড়ার মতো একাধিক স্পট একদিনে ঘুরতে চাইলে।

গোপালগঞ্জ জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য

গোপালগঞ্জ মধুমতি ও বলেশ্বর নদীবিধৌত একটি প্রাচীন জনপদ, যা দীর্ঘদিন ফরিদপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত মহকুমা হিসেবে পরিচিত ছিল। প্রশাসনিক দিক থেকে ১৯৩৬ সালে মুকসুদপুর থানা ভেঙে কাশিয়ানী থানা গঠিত হয়, আর ১৯৭৪ সালে গোপালগঞ্জ সদর থানা ভেঙে পৃথক টুঙ্গিপাড়া থানা প্রতিষ্ঠা করা হয়। অবশেষে ১৯৮৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ মহকুমাকে পূর্ণাঙ্গ জেলায় উন্নীত করা হয়, আর জেলার প্রথম জেলা প্রশাসক ছিলেন এ. এফ. এম. এহিয়া চৌধুরী। বর্তমানে এই জেলা পাঁচটি উপজেলা, পাঁচটি থানা, চারটি পৌরসভা, ৬৮টি ইউনিয়ন এবং ৬৫৩টি মৌজা নিয়ে গঠিত।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান হওয়ায় গোপালগঞ্জ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর কন্যা শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা—এই জেলার সবচেয়ে পরিচিত ব্যক্তিত্ব। এছাড়া কোটালিপাড়া উপজেলা প্রখ্যাত কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক ভূমি হিসেবেও পরিচিত। ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক দিক থেকে ওড়াকান্দি এলাকা মতুয়া সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান তীর্থস্থান, যেখানে প্রতি বছর হাজার হাজার ভক্ত সমবেত হন।

গোপালগঞ্জের দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ, টুঙ্গিপাড়া

গোপালগঞ্জ সদর থেকে প্রায় ১৯ কিলোমিটার দূরে টুঙ্গিপাড়া গ্রামে অবস্থিত এই সমাধিসৌধ জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের পারিবারিক কবরস্থানে নির্মিত, যেখানে তাঁকে তাঁর মা-বাবার কবরের পাশে সমাহিত করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালে তৎকালীন সরকার সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়, ১৯৯৯ সালের ১৭ মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ২০০১ সালের ১০ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটি উদ্বোধন করেন। স্থাপত্যশৈলীর জন্য এই কমপ্লেক্সের নকশা করেছিলেন স্থপতি এহসান খান। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সমাধিসৌধ দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে, আর পাশের গণগ্রন্থাগার খোলা থাকে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ি

ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ি মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের সাথে সম্পর্কিত একটি প্রাচীন ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থান। প্রতি বছর এখানে ধর্মীয় মেলা ও উৎসব অনুষ্ঠিত হয়, যা দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য ভক্ত ও দর্শনার্থীকে আকৃষ্ট করে।

উলপুর জমিদার বাড়ি ও গিরীশ চন্দ্র সেনের বাড়ি

ঔপনিবেশিক আমলে নির্মিত এই জমিদার বাড়িগুলো গোপালগঞ্জের স্থাপত্য-ঐতিহ্যের সাক্ষী। ইট-কাঠের পুরনো নকশা ও ভবনগুলো আজও এলাকার ইতিহাসপ্রেমীদের আকর্ষণ করে।

উজানী রাজবাড়ী, মুকসুদপুর

জেলা সদর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত উজানী রাজবাড়ী একটি ঐতিহাসিক জমিদার স্থাপনা, যা এলাকার সামন্তযুগীয় স্থাপত্যরীতির পরিচয় বহন করে।

আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি ও বিল রুট ক্যানেল

মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের পাশে আড়পাড়া গ্রামে অবস্থিত মুন্সীবাড়ি এবং তার পাশ দিয়ে প্রবাহিত সরলরেখার বিল রুট ক্যানেল—দুটোই স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় ভ্রমণস্পট।

সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক বাড়ি, কোটালিপাড়া

কোটালিপাড়া উপজেলার উনশিয়া গ্রামে অবস্থিত এই বাড়িটি বিদ্রোহী কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পূর্বপুরুষদের ভিটা হিসেবে সংরক্ষিত।

শেখ রাসেল শিশু পার্ক

বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের পাশেই টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে শেখ রাসেল শিশু পার্ক, যা পরিবার নিয়ে ভ্রমণকারীদের জন্য বাড়তি বিনোদনের সুযোগ করে দেয়।

গোপালগঞ্জে থাকার ব্যবস্থা

গোপালগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্রে হোটেল রানা, হোটেল সোহাগ, হোটেল পলাশ, হোটেল তাজসহ বেশ কিছু সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে, যেখানে রুম ভাড়া প্রায় ৪০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া টুঙ্গিপাড়ায় বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন পরিচালিত মধুমতি মোটেলে এসি-নন এসি রুম ভাড়া ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা এবং ডরমেটরি ভাড়া ২০০ টাকা।

হোটেল/মোটেলঅবস্থানযোগাযোগ
মধুমতি মোটেল (বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন)টুঙ্গিপাড়া০২-৬৬৫৬৩৪৯, ০১৭১২-৫৬৩২২৭
হোটেল রানাচৌরঙ্গী, গোপালগঞ্জ০২-৬৬৮৫১৭২
হোটেল সোহাগপোস্ট অফিস রোড, গোপালগঞ্জ০৬৬৮-৬১৭৪০
জেলা পরিষদ কটেজগোপালগঞ্জ০৬৬৮-৬১২০৪

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

ঢাকা টু গোপালগঞ্জ নন-এসি বাস ভাড়া কত?

মাওয়া হয়ে যাতায়াতকারী নন-এসি বাসের ভাড়া সাধারণত ২০০-২৫০ টাকা। পাটুরিয়া রুটে এটি কিছুটা বেশি, প্রায় ২৫০-৩৫০ টাকা হতে পারে।

ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ যেতে কত সময় লাগে?

পদ্মা সেতু-মাওয়া রুটে সাধারণত ৩-৪ ঘণ্টা সময় লাগে, তবে সড়কের যানজট পরিস্থিতির ওপর এটি নির্ভর করে।

ঢাকা টু গোপালগঞ্জ বাস কোথা থেকে ছাড়ে?

বেশিরভাগ বাস সায়েদাবাদ ও গুলিস্তান থেকে মাওয়া হয়ে ছাড়ে, আর কিছু পরিবহন গাবতলী থেকে পাটুরিয়া হয়ে চলাচল করে।

বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কবে নির্মিত হয়েছিল?

১৯৯৬ সালে পরিকল্পনা শুরু হয়, ১৯৯৯ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় এবং ২০০১ সালের ১০ জানুয়ারি এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

গোপালগঞ্জ কবে জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

১৯৮৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ মহকুমাকে পূর্ণাঙ্গ জেলায় উন্নীত করা হয়।

শেষ কথা

ঢাকা টু গোপালগঞ্জ বাস ভাড়া তুলনামূলক সাশ্রয়ী এবং পদ্মা সেতুর কারণে এখন যাত্রাও অনেক দ্রুত। তবে ভাড়া ও সময়সূচী মাঝেমধ্যে পরিবর্তিত হয় বলে যাত্রার আগে সরাসরি কাউন্টারে ফোন করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। গোপালগঞ্জে পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধসহ জেলার ঐতিহাসিক স্থানগুলো ঘুরে দেখলে ভ্রমণটি আরও অর্থবহ হয়ে উঠবে।