পদ্মা সেতু হয়ে এখন বরিশাল যাওয়া আগের চেয়ে অনেক দ্রুত। AC, নন-AC ভাড়া এবং কোন কোম্পানি বেছে নেবেন — সব তথ্য একসাথে।
ঢাকা টু বরিশাল বাস ভাড়া নন-AC বাসে ৫০০–৬০০ টাকা এবং AC বাসে ৮৫০–১,২০০ টাকা পর্যন্ত হয় — কোম্পানি ও সিট ক্লাস অনুযায়ী এই দাম পরিবর্তিত হয়। পদ্মা সেতু হয়ে যেতে সময় লাগে ৩–৪ ঘণ্টা (AC/সরাসরি) থেকে ৬–৮ ঘণ্টা (নন-AC, বেশি স্টপেজ) পর্যন্ত।
* দূরত্ব ও সময় বিভিন্ন সোর্স, রুট (মাওয়া হয়ে) এবং বাসের ধরন অনুযায়ী আলাদা হতে পারে। AC ও সরাসরি সার্ভিসে সময় কম, নন-AC ও বেশি স্টপেজে সময় বেশি লাগে। যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা টু বরিশাল বাস ভাড়া নেওয়ার আগে জানা জরুরি — পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এই রুটে যাতায়াত কতটা বদলে গেছে।
২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে ঢাকা-বরিশাল রুটে সড়কপথ সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। আগে যেখানে ফেরি পার হতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো, এখন সেতু পার হয়ে সরাসরি বরিশাল পৌঁছানো যায়।
আগে লঞ্চে ৮–১০ ঘণ্টা লাগত। এখন AC বাসে সরাসরি গেলে ৩–৪ ঘণ্টায় পৌঁছানো সম্ভব।
সাকুরা, গ্রীন লাইন, হানিফ, এনা, শ্যামলী, সোহাগ — অনেক কোম্পানি এখন এই রুটে নিয়মিত চলে।
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাস পাওয়া যায় — সময়সূচির জন্য অপেক্ষা করতে হয় না বেশি।
বিজনেস ক্লাস, স্লিপার কোচ থেকে সাধারণ নন-AC — বাজেট অনুযায়ী বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে।
একাধিক সোর্স ক্রস-চেক করে এই ভাড়ার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। মনে রাখবেন, জ্বালানির দাম ও সিজন অনুযায়ী ভাড়া পরিবর্তিত হতে পারে।
| পরিবহন কোম্পানি | নন-AC ভাড়া | AC ভাড়া |
|---|---|---|
| সাকুরা পরিবহন | ৳৫০০–৬০০ | ৳৭০০–৮০০ |
| হানিফ এন্টারপ্রাইজ | ৳৫০০–৬০০ | — |
| এনা পরিবহন / ট্রান্সপোর্ট | ৳৫০০ | — |
| গোল্ডেন লাইন | ৳৫০০ | — |
| শ্যামলী এন আর ট্রাভেলস | ৳৫০০–৭০০ | ৳১,০০০–১,৫০০ |
| গ্রীন লাইন (ইকোনমি/বিজনেস) | — | ৳৮৫০–১,২০০ |
| সোহাগ পরিবহন | — | ৳১,২০০ |
| ইউরো কোচ (স্লিপার) | — | ৳১,০০০+ |
* এই রেট একাধিক ট্রাভেল ব্লগ ও পরিবহন তথ্য সোর্স থেকে যাচাই করে নেওয়া আনুমানিক মূল্য। ছুটির সিজনে বা টিকিট সংকটে ভাড়া বাড়তে পারে। বুকিংয়ের আগে সংশ্লিষ্ট কাউন্টারে সর্বশেষ ভাড়া নিশ্চিত করে নিন।
অফিস পিকনিক, পরিবারের বড় গ্রুপ বা স্কুল ট্যুরের জন্য পুরো বাস চার্টার করা একক টিকিটের চেয়ে বেশি সুবিধাজনক হতে পারে।
| বাসের ধরন | সিট সংখ্যা | রাউন্ড ট্রিপ ভাড়া (আনুমানিক) |
|---|---|---|
| মিনিবাস (নন-AC) | ২৫–৩০ সিট | ৳১৪,০০০–২০,০০০ |
| মিনিবাস (AC) | ২৫–৩০ সিট | ৳১৮,০০০–২৫,০০০ |
| ফুল সাইজ বাস (AC) | ৪০–৫০ সিট | ৳২৫,০০০–৩৫,০০০ |
বড় গ্রুপের জন্য সম্পূর্ণ বাস ভাড়া সার্ভিস দেখুন — সারাবাংলাদেশে AC ও নন-AC বাস পাওয়া যায়।
অফিস পিকনিক, পরিবার বা বড় গ্রুপ — বরিশালের রুটে AC বা নন-AC বাস ভাড়া করুন।
ভাড়া চেক করুন যোগাযোগ করুনযাত্রার সময় নির্ভর করে বাসের ধরন, যাত্রাপথ এবং ট্রাফিকের উপর। সোর্স অনুযায়ী এই সময়ে কিছু পার্থক্য দেখা যায়।
ঢাকার সায়েদাবাদ, গাবতলী ও আব্দুল্লাহপুর থেকে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একাধিক ট্রিপ চলে। সকাল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বিভিন্ন কোম্পানির বাস ছেড়ে যায়।
স্বল্প বাজেটে যাত্রা: সাকুরা বা হানিফের নন-AC বাস — ভাড়া কম, ঘন ঘন ট্রিপ এবং কিছু সময় স্টুডেন্ট ছাড়ও পাওয়া যায়।
পরিবারের সাথে ভ্রমণ: গ্রীন লাইন বিজনেস ক্লাস বা শ্যামলী AC — প্রশস্ত সিট ও মার্জিত পরিবেশ।
সবচেয়ে আরামদায়ক যাত্রা: ইউরো কোচ স্লিপার — শুয়ে যাওয়ার সুবিধা, লঞ্চের কেবিনের মতো অভিজ্ঞতা।
ঘন ঘন যাতায়াতকারী যাত্রী: এনা ট্রান্সপোর্ট বা গোল্ডেন লাইন — সাশ্রয়ী ও নিয়মিত সার্ভিস।
পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে বাসই সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলেও অন্য বিকল্পগুলোও বিবেচনায় রাখা ভালো।
| মাধ্যম | সময় | ভাড়া (আনুমানিক) | মন্তব্য |
|---|---|---|---|
| AC বাস (সরাসরি) | ৩–৪ ঘণ্টা ✓ | ৳৮৫০–১,২০০ | সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ভারসাম্যপূর্ণ |
| নন-AC বাস | ৬–৮ ঘণ্টা | ৳৫০০–৬০০ ✓ | সবচেয়ে সাশ্রয়ী |
| বিমান | ৪৫ মিনিট ✓ | বেশি | দ্রুততম, কিন্তু খরচ বেশি |
| লঞ্চ | ৮+ ঘণ্টা | ৳২৫০–১,৬০০ (ক্লাস ভেদে) | আরামদায়ক কিন্তু সময় বেশি লাগে |
ঢাকা টু বরিশাল বাস ভাড়া বাসের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হয় — নন-AC বাসে ৳৫০০–৬০০ এবং AC বাসে ৳৮৫০–১,২০০ টাকা। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এই রুটে যাত্রা আগের চেয়ে অনেক সহজ ও দ্রুত হয়েছে।
বাংলাদেশে নির্ভরযোগ্য বাস বা মাইক্রোবাস বুকিংয়ের জন্য Chologari.com-এর বাস সার্ভিস দেখুন বা এখনই ভাড়া চেক করুন।