ঢাকা টু বরিশাল বাস ভাড়া — সম্পূর্ণ রেট ও সময়সূচী ২০২৬
🚌 রুট গাইড ২০২৬

ঢাকা টু বরিশাল বাস ভাড়া:
সম্পূর্ণ রেট ও সময়সূচী

পদ্মা সেতু হয়ে এখন বরিশাল যাওয়া আগের চেয়ে অনেক দ্রুত। AC, নন-AC ভাড়া এবং কোন কোম্পানি বেছে নেবেন — সব তথ্য একসাথে।

⏱️ পড়তে সময়: ৯ মিনিট ✍️ Chologari.com টিম 📅 সর্বশেষ আপডেট: জুন ২০২৬
📌 এক নজরে

ঢাকা টু বরিশাল বাস ভাড়া নন-AC বাসে ৫০০–৬০০ টাকা এবং AC বাসে ৮৫০–১,২০০ টাকা পর্যন্ত হয় — কোম্পানি ও সিট ক্লাস অনুযায়ী এই দাম পরিবর্তিত হয়। পদ্মা সেতু হয়ে যেতে সময় লাগে ৩–৪ ঘণ্টা (AC/সরাসরি) থেকে ৬–৮ ঘণ্টা (নন-AC, বেশি স্টপেজ) পর্যন্ত।

~১৮০–২৮০ কিমি
দূরত্ব (আনুমানিক)
৩–৮ ঘণ্টা
যাত্রার সময়
৳৫০০+
টিকিট থেকে শুরু
১০+
পরিবহন কোম্পানি

* দূরত্ব ও সময় বিভিন্ন সোর্স, রুট (মাওয়া হয়ে) এবং বাসের ধরন অনুযায়ী আলাদা হতে পারে। AC ও সরাসরি সার্ভিসে সময় কম, নন-AC ও বেশি স্টপেজে সময় বেশি লাগে। যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা টু বরিশাল বাস ভ্রমণ কেন বেছে নেবেন?

ঢাকা টু বরিশাল বাস ভাড়া নেওয়ার আগে জানা জরুরি — পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এই রুটে যাতায়াত কতটা বদলে গেছে।

২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে ঢাকা-বরিশাল রুটে সড়কপথ সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। আগে যেখানে ফেরি পার হতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো, এখন সেতু পার হয়ে সরাসরি বরিশাল পৌঁছানো যায়।

⏱️

সময় বাঁচে

আগে লঞ্চে ৮–১০ ঘণ্টা লাগত। এখন AC বাসে সরাসরি গেলে ৩–৪ ঘণ্টায় পৌঁছানো সম্ভব।

🚌

একাধিক কোম্পানি

সাকুরা, গ্রীন লাইন, হানিফ, এনা, শ্যামলী, সোহাগ — অনেক কোম্পানি এখন এই রুটে নিয়মিত চলে।

🕐

ঘন ঘন ট্রিপ

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাস পাওয়া যায় — সময়সূচির জন্য অপেক্ষা করতে হয় না বেশি।

💺

আরামের বিকল্প

বিজনেস ক্লাস, স্লিপার কোচ থেকে সাধারণ নন-AC — বাজেট অনুযায়ী বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে।


ঢাকা টু বরিশাল বাস ভাড়া কত? কোম্পানি অনুযায়ী সম্পূর্ণ চার্ট

একাধিক সোর্স ক্রস-চেক করে এই ভাড়ার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। মনে রাখবেন, জ্বালানির দাম ও সিজন অনুযায়ী ভাড়া পরিবর্তিত হতে পারে।

পরিবহন কোম্পানি নন-AC ভাড়া AC ভাড়া
সাকুরা পরিবহন ৳৫০০–৬০০ ৳৭০০–৮০০
হানিফ এন্টারপ্রাইজ ৳৫০০–৬০০
এনা পরিবহন / ট্রান্সপোর্ট ৳৫০০
গোল্ডেন লাইন ৳৫০০
শ্যামলী এন আর ট্রাভেলস ৳৫০০–৭০০ ৳১,০০০–১,৫০০
গ্রীন লাইন (ইকোনমি/বিজনেস) ৳৮৫০–১,২০০
সোহাগ পরিবহন ৳১,২০০
ইউরো কোচ (স্লিপার) ৳১,০০০+

* এই রেট একাধিক ট্রাভেল ব্লগ ও পরিবহন তথ্য সোর্স থেকে যাচাই করে নেওয়া আনুমানিক মূল্য। ছুটির সিজনে বা টিকিট সংকটে ভাড়া বাড়তে পারে। বুকিংয়ের আগে সংশ্লিষ্ট কাউন্টারে সর্বশেষ ভাড়া নিশ্চিত করে নিন।

💡 মনে রাখুন: ঈদ বা পূজার সময় এই রুটে ভাড়া ১৫–২৫% পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে এবং টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যায়। অন্তত ৩–৫ দিন আগে টিকিট বুকিং করার চেষ্টা করুন।

গ্রুপ ট্যুরের জন্য পুরো বাস ভাড়া করতে কত খরচ?

অফিস পিকনিক, পরিবারের বড় গ্রুপ বা স্কুল ট্যুরের জন্য পুরো বাস চার্টার করা একক টিকিটের চেয়ে বেশি সুবিধাজনক হতে পারে।

বাসের ধরন সিট সংখ্যা রাউন্ড ট্রিপ ভাড়া (আনুমানিক)
মিনিবাস (নন-AC) ২৫–৩০ সিট ৳১৪,০০০–২০,০০০
মিনিবাস (AC) ২৫–৩০ সিট ৳১৮,০০০–২৫,০০০
ফুল সাইজ বাস (AC) ৪০–৫০ সিট ৳২৫,০০০–৩৫,০০০
✅ মাথাপিছু হিসাব: ৪০ জনের গ্রুপে একটি ফুল সাইজ AC বাস ৳৩০,০০০ রাউন্ড ট্রিপে ধরলে, মাথাপিছু খরচ পড়বে আনুমানিক ৳৭৫০ টাকা — যা একক AC টিকিটের কাছাকাছি, কিন্তু পুরো গ্রুপ একসাথে যাওয়ার সুবিধাও মিলবে।

বড় গ্রুপের জন্য সম্পূর্ণ বাস ভাড়া সার্ভিস দেখুন — সারাবাংলাদেশে AC ও নন-AC বাস পাওয়া যায়।

🚌 গ্রুপ ট্যুরের জন্য বাস বুক করুন

অফিস পিকনিক, পরিবার বা বড় গ্রুপ — বরিশালের রুটে AC বা নন-AC বাস ভাড়া করুন।

ভাড়া চেক করুন যোগাযোগ করুন

ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে কত সময় লাগে?

যাত্রার সময় নির্ভর করে বাসের ধরন, যাত্রাপথ এবং ট্রাফিকের উপর। সোর্স অনুযায়ী এই সময়ে কিছু পার্থক্য দেখা যায়।

  • AC ও সরাসরি সার্ভিস: আনুমানিক ৩–৪ ঘণ্টা — পদ্মা সেতু হয়ে সরাসরি গেলে দ্রুততম সময়।
  • নন-AC বা বেশি স্টপেজযুক্ত বাস: আনুমানিক ৬–৮ ঘণ্টা — বিভিন্ন এলাকায় থামার কারণে সময় বেশি লাগে।
  • আবহাওয়া বা ট্রাফিকের প্রভাব: ছুটির দিনে বা বর্ষাকালে এই সময় আরও বেড়ে যেতে পারে।
ℹ️ পরিষ্কার তথ্যের জন্য: বিভিন্ন ট্রাভেল সোর্সে সময়ের তথ্যে পার্থক্য দেখা যায় (কিছু সোর্স ৩–৪ ঘণ্টা বলে, কিছু ৬–৮ ঘণ্টা)। এই পার্থক্যের মূল কারণ বাসের ধরন (AC/নন-AC), সরাসরি না স্টপেজযুক্ত রুট এবং যাত্রার সময়। বুকিংয়ের সময় কাউন্টারে নির্দিষ্ট সময়সূচি জিজ্ঞেস করে নিন।

দিনের কোন সময়ে বাস পাওয়া যায়?

ঢাকার সায়েদাবাদ, গাবতলী ও আব্দুল্লাহপুর থেকে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একাধিক ট্রিপ চলে। সকাল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বিভিন্ন কোম্পানির বাস ছেড়ে যায়।


যাত্রীর ধরন অনুযায়ী কোন বাস কোম্পানি উপযুক্ত?

  • বাজেট

    স্বল্প বাজেটে যাত্রা: সাকুরা বা হানিফের নন-AC বাস — ভাড়া কম, ঘন ঘন ট্রিপ এবং কিছু সময় স্টুডেন্ট ছাড়ও পাওয়া যায়।

  • আরাম

    পরিবারের সাথে ভ্রমণ: গ্রীন লাইন বিজনেস ক্লাস বা শ্যামলী AC — প্রশস্ত সিট ও মার্জিত পরিবেশ।

  • লাক্সারি

    সবচেয়ে আরামদায়ক যাত্রা: ইউরো কোচ স্লিপার — শুয়ে যাওয়ার সুবিধা, লঞ্চের কেবিনের মতো অভিজ্ঞতা।

  • নিয়মিত

    ঘন ঘন যাতায়াতকারী যাত্রী: এনা ট্রান্সপোর্ট বা গোল্ডেন লাইন — সাশ্রয়ী ও নিয়মিত সার্ভিস।

ℹ️ বুকিং টিপস: অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা কাউন্টার থেকে টিকিট কাটা যায়। সিজনে আগে বুকিং দিলে পছন্দের সিট পাওয়া সহজ হয়।

বাস নাকি লঞ্চ নাকি বিমান — কোনটি ভালো?

পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে বাসই সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলেও অন্য বিকল্পগুলোও বিবেচনায় রাখা ভালো।

মাধ্যম সময় ভাড়া (আনুমানিক) মন্তব্য
AC বাস (সরাসরি) ৩–৪ ঘণ্টা ✓ ৳৮৫০–১,২০০ সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ভারসাম্যপূর্ণ
নন-AC বাস ৬–৮ ঘণ্টা ৳৫০০–৬০০ ✓ সবচেয়ে সাশ্রয়ী
বিমান ৪৫ মিনিট ✓ বেশি দ্রুততম, কিন্তু খরচ বেশি
লঞ্চ ৮+ ঘণ্টা ৳২৫০–১,৬০০ (ক্লাস ভেদে) আরামদায়ক কিন্তু সময় বেশি লাগে

টিকিট বুকিং করার আগে যা জানা জরুরি

  • অনলাইনে সিট চেক করুন — যাত্রার আগে সিট খালি আছে কি না নিশ্চিত করুন।
  • কাউন্টারের লোকেশন জেনে রাখুন — সায়েদাবাদ, গাবতলী বা আব্দুল্লাহপুর থেকে যাত্রা শুরু হয়।
  • টিকিট বাতিলের নিয়ম জেনে নিন — কোম্পানি ভেদে রিফান্ড নীতি ভিন্ন হয়।
  • সিজনে আগে বুকিং দিন — ঈদ বা পূজার সময় টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
  • গ্রুপ চার্টারে লিখিত কনফার্মেশন নিন — তারিখ, সময়, ভাড়া স্পষ্ট রাখুন।

ঢাকা টু বরিশাল বাস ভাড়া নিয়ে যা সবাই জানতে চান

AC বা সরাসরি সার্ভিসে আনুমানিক ৩–৪ ঘণ্টা সময় লাগে। নন-AC বা বেশি স্টপেজযুক্ত বাসে ৬–৮ ঘণ্টা লাগতে পারে। সঠিক সময় জানতে যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাউন্টারে যোগাযোগ করুন।
নন-AC বাসের মধ্যে এনা পরিবহন, গোল্ডেন লাইন ও সাকুরা পরিবহনের ভাড়া সবচেয়ে কম, আনুমানিক ৳৫০০ থেকে শুরু। তবে দাম সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়, তাই বুকিংয়ের আগে নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো।
গ্রীন লাইন বিজনেস ক্লাস এবং ইউরো কোচ স্লিপার সার্ভিস সবচেয়ে আরামদায়ক বিকল্প। প্রশস্ত সিট, ভালো লেগরুম ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে যাত্রা করা যায়, যদিও ভাড়া তুলনামূলক বেশি।
পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর যাত্রার সময় অনেক কমেছে এবং অধিকাংশ কোম্পানি এখন সরাসরি সড়কপথে চলে। ভাড়া মূলত বাসের ক্যাটাগরি ও জ্বালানির দামের উপর নির্ভর করে, যা সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হয়।
৩০ সিটের মিনিবাসে রাউন্ড ট্রিপ আনুমানিক ৳১৪,০০০–২৫,০০০ এবং ৪০–৫০ সিটের ফুল সাইজ বাসে ৳২৫,০০০–৩৫,০০০ পড়তে পারে। গাড়ির মান ও AC সুবিধা অনুযায়ী এই দাম পরিবর্তিত হয়।
হ্যাঁ, গ্রীন লাইন, শ্যামলী, সাকুরার মতো বড় কোম্পানির টিকিট অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে কাটা যায়। কাউন্টার থেকেও সরাসরি টিকিট কাটার সুযোগ আছে।

ঢাকা টু বরিশাল বাস ভাড়ার মূল বিষয়

ঢাকা টু বরিশাল বাস ভাড়া বাসের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হয় — নন-AC বাসে ৳৫০০–৬০০ এবং AC বাসে ৳৮৫০–১,২০০ টাকা। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এই রুটে যাত্রা আগের চেয়ে অনেক সহজ ও দ্রুত হয়েছে।

  • বাজেট যাত্রায় নন-AC বাস সবচেয়ে সাশ্রয়ী।
  • আরামদায়ক যাত্রায় গ্রীন লাইন বা শ্যামলী AC বেছে নিন।
  • গ্রুপ ট্যুরে পুরো বাস চার্টার করলে মাথাপিছু খরচ কমে।
  • সিজনে আগে বুকিং দিন — টিকিট সংকট এড়াতে।

বাংলাদেশে নির্ভরযোগ্য বাস বা মাইক্রোবাস বুকিংয়ের জন্য Chologari.com-এর বাস সার্ভিস দেখুন বা এখনই ভাড়া চেক করুন

© ২০২৬ Chologari.com — বাংলাদেশের বিশ্বস্ত গাড়ি ভাড়া সেবা