ঢাকা টু টাঙ্গাইল বাস ভাড়া নন-AC বাসে ১৬০–৪০০ টাকা এবং AC বাসে ২৫০–১,১০০ টাকা পর্যন্ত হয় — কোম্পানি, কাউন্টার ও সিট ক্লাস অনুযায়ী এই দাম পরিবর্তিত হয়। সড়কপথে দূরত্ব ৮৪–৯৬ কিলোমিটার (সোর্স ভেদে) এবং সময় লাগে ২–৩ ঘণ্টা।
~৮৪–৯৬ কিমি
দূরত্ব (সড়কপথে)
২–৩ ঘণ্টা
যাত্রার সময়
৳১৬০+
টিকিট থেকে শুরু
৬+
পরিবহন কোম্পানি
* দূরত্ব নিয়ে সোর্স ভেদে পার্থক্য আছে — কিছু সোর্সে গুগল ম্যাপ অনুযায়ী ৮৩.৯–৮৪ কিমি, কিছু সোর্সে মহাসড়কের প্রকৃত রুট হিসেবে ৯৬ কিমি উল্লেখ আছে। এই পার্থক্য পরিমাপ পদ্ধতি ও যাত্রার সূচনাবিন্দুর কারণে হতে পারে। সময় ও ভাড়া চন্দ্রা মোড়ের যানজট ও জ্বালানির দামের সাথে পরিবর্তিত হতে পারে।
🚌 কেন বাস
ঢাকা টু টাঙ্গাইল বাস ভ্রমণ কেন সবচেয়ে জনপ্রিয়?
ঢাকা টু টাঙ্গাইল বাস ভাড়া নেওয়ার আগে জানা জরুরি — কেন এই কাছের রুটেও বাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পরিবহন মাধ্যম।
🔄
ঘন ঘন ট্রিপ
ধলেশ্বরী পরিবহনের মতো কোম্পানি সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রতি ঘণ্টায় বাস চালায় — অপেক্ষার সময় কম।
🚌
একাধিক কোম্পানি
নিরালা, ধলেশ্বরী, সকাল সন্ধ্যা, সোনিয়া এন্টারপ্রাইজসহ একাধিক কোম্পানি এই রুটে নিয়মিত চলে।
📍
একাধিক কাউন্টার
মহাখালী, গাবতলী, কল্যাণপুর — ঢাকার একাধিক জায়গা থেকে বাস পাওয়া যায়।
💰
সাশ্রয়ী ভাড়া
কাছের রুট হওয়ায় ভাড়া তুলনামূলক কম — নন-AC বাসে মাত্র ১৬০ টাকা থেকেও পাওয়া যায়।
💰 ভাড়ার বিস্তারিত
ঢাকা টু টাঙ্গাইল বাস ভাড়া কত? কোম্পানি অনুযায়ী সম্পূর্ণ চার্ট
একাধিক সোর্স ক্রস-চেক করে এই ভাড়ার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। মনে রাখবেন, কাউন্টার ও সিজন অনুযায়ী ভাড়া পরিবর্তিত হতে পারে।
পরিবহন কোম্পানি
সার্ভিস ধরন
ভাড়া (আনুমানিক)
নিরালা পরিবহন (মহাখালী)
নন-AC
৳১৬০–২৫০
ধলেশ্বরী পরিবহন
চেয়ার কোচ
৳২০০
ঝটিকা পরিবহন
নন-AC
৳২০০
সকাল সন্ধ্যা (গাবতলী)
AC
৳২৫০–৪০০
সোনিয়া এন্টারপ্রাইজ
AC / নন-AC
৳৪০০
সকাল সন্ধ্যা / শান্তি / দেশ ট্রাভেলস
AC (প্রিমিয়াম)
৳৪০০–১,১০০
* এই রেট একাধিক ট্রাভেল ব্লগ থেকে যাচাই করে নেওয়া আনুমানিক মূল্য (২০২৬)। কাউন্টার ও সময়ের সাথে ভাড়া পরিবর্তিত হতে পারে। বুকিংয়ের আগে সংশ্লিষ্ট কাউন্টারে সর্বশেষ ভাড়া নিশ্চিত করে নিন।
💡 মনে রাখুন: ঈদের সময় এই রুটে প্রচুর চাপ পড়ে, কারণ উত্তরবঙ্গের লাখো মানুষ এই মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। ভাড়া বাড়তে পারে এবং টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যায় — অন্তত ৩–৫ দিন আগে বুকিং করার চেষ্টা করুন।
🚌 গ্রুপের জন্য পুরো বাস
গ্রুপ ট্যুরের জন্য পুরো বাস ভাড়া করতে কত খরচ?
স্কুল ট্যুর, অফিস পিকনিক বা পরিবারের বড় গ্রুপের জন্য পুরো বাস চার্টার করা একক টিকিটের চেয়ে বেশি সুবিধাজনক হতে পারে।
বাসের ধরন
সিট সংখ্যা
রাউন্ড ট্রিপ ভাড়া (আনুমানিক)
মিনিবাস (নন-AC)
২৫–৩০ সিট
৳৮,০০০–১২,০০০
মিনিবাস (AC)
২৫–৩০ সিট
৳১২,০০০–১৬,০০০
ফুল সাইজ বাস (AC)
৪০–৫০ সিট
৳১৬,০০০–২২,০০০
✅ মাথাপিছু হিসাব: ৪০ জনের গ্রুপে একটি ফুল সাইজ AC বাস ৳১৮,০০০ রাউন্ড ট্রিপে ধরলে, মাথাপিছু খরচ পড়বে আনুমানিক ৳৪৫০ টাকা — যা একক নন-AC টিকিটের কাছাকাছি, কিন্তু পুরো গ্রুপ একসাথে যাওয়ার সুবিধাও মিলবে।
যাত্রার সময় নির্ভর করে রুট, যানজট এবং দিনের কোন সময়ে যাত্রা করছেন তার উপর।
স্বাভাবিক সময়: আনুমানিক ২–৩ ঘণ্টা — সরাসরি সার্ভিসে এটাই গড় সময়।
চন্দ্রা মোড়ে যানজট থাকলে: ৩–৪ ঘণ্টা পর্যন্ত লাগতে পারে — এই পয়েন্টে প্রায়ই দীর্ঘ যানজট হয়।
ধলেশ্বরী পরিবহনের সময়সূচী: সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রতি ১ ঘণ্টায় বাস চলে।
নিরালা পরিবহন: প্রতি ৩০ মিনিট পরপর বাস ছাড়ে — সবচেয়ে ঘন ঘন সার্ভিস।
ℹ️ বুকিং পরামর্শ: মহাখালী, গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে বিভিন্ন কোম্পানির কাউন্টার থেকে টিকিট কাটা যায়। ট্রেনে এই পথ মাত্র ১–১.৫ ঘণ্টায় যাওয়া যায়, কিন্তু ট্রেনের সময়সূচী সীমিত।
🏆 কোন কোম্পানি বেছে নেবেন
যাত্রীর ধরন অনুযায়ী কোন বাস কোম্পানি উপযুক্ত?
বাজেট
স্বল্প বাজেটে যাত্রা: নিরালা পরিবহন বা ঝটিকা পরিবহনের নন-AC বাস — ভাড়া সবচেয়ে কম, ঘন ঘন ট্রিপ।
আরাম
আরামদায়ক যাত্রা: সকাল সন্ধ্যার AC সার্ভিস বা দেশ ট্রাভেলস — প্রশস্ত সিট ও ভালো পরিবেশ।
ঢাকা টু টাঙ্গাইল বাস ভাড়া নিয়ে যা সবাই জানতে চান
স্বাভাবিক অবস্থায় আনুমানিক ২–৩ ঘণ্টা সময় লাগে। চন্দ্রা মোড়ে যানজট থাকলে এই সময় ৩–৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ট্রেনে এই পথ মাত্র ১–১.৫ ঘণ্টায় যাওয়া সম্ভব।
মহাখালী থেকে নিরালা সুপার সার্ভিসের নন-AC বাসের ভাড়া সবচেয়ে কম, আনুমানিক ১৬০ টাকা। ঝটিকা ও ধলেশ্বরী পরিবহনেও ২০০ টাকায় যাওয়া যায়। তবে দাম সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়, তাই বুকিংয়ের আগে নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো।
গুগল ম্যাপ অনুযায়ী সরলরৈখিক দূরত্ব প্রায় ৮৪ কিলোমিটার। তবে মহাসড়কের প্রকৃত রুট হিসেবে কিছু সোর্সে ৯৬ কিলোমিটারও উল্লেখ আছে। এই পার্থক্য মূলত পরিমাপ পদ্ধতি ও যাত্রার সূচনাবিন্দুর কারণে হয়।
নিরালা পরিবহন প্রতি ৩০ মিনিটে এবং ধলেশ্বরী পরিবহন প্রতি ১ ঘণ্টায় বাস চালায় — এই দুটি কোম্পানি সবচেয়ে ঘন ঘন সার্ভিস দেয়, তাই অপেক্ষার সময় কম হয়।
৩০ সিটের মিনিবাসে রাউন্ড ট্রিপ আনুমানিক ৳৮,০০০–১৬,০০০ এবং ৪০–৫০ সিটের ফুল সাইজ বাসে ৳১৬,০০০–২২,০০০ পড়তে পারে। গাড়ির মান ও AC সুবিধা অনুযায়ী এই দাম পরিবর্তিত হয়।
মহাখালী, গাবতলী ও কল্যাণপুর — এই তিন জায়গায় একাধিক কোম্পানির কাউন্টার আছে। সরাসরি কাউন্টারে গিয়ে টিকিট কাটাই এই রুটে সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি, কারণ অনেক কোম্পানি অনলাইন বুকিং দেয় না।
✅ সারসংক্ষেপ
ঢাকা টু টাঙ্গাইল বাস ভাড়ার মূল বিষয়
ঢাকা টু টাঙ্গাইল বাস ভাড়া কোম্পানি ও সার্ভিস অনুযায়ী ভিন্ন হয় — নন-AC বাসে ৳১৬০–৪০০ এবং AC বাসে ৳২৫০–১,১০০ টাকা। প্রায় ৮৪–৯৬ কিলোমিটারের এই রুটে একাধিক কোম্পানির ঘন ঘন সার্ভিস থাকায় সহজেই বুকিং করা সম্ভব।
বাজেট যাত্রায় নিরালা বা ঝটিকা পরিবহন সবচেয়ে সাশ্রয়ী।
আরামদায়ক যাত্রায় সকাল সন্ধ্যা বা দেশ ট্রাভেলসের AC সার্ভিস বেছে নিন।
গ্রুপ ট্যুরে পুরো বাস বা মাইক্রোবাস চার্টার করলে সুবিধা বেশি।
ঈদের সময় আগে বুকিং দিন — উত্তরবঙ্গের চাপ বেশি থাকায় টিকিট সংকট হয়।